জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মান জানাতে ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’ প্রদান করা হয়েছে। রাজধানীতে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬’-এ এ সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই স্মৃতি স্মারক প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে জুলাই-২৪ গণঅভ্যুত্থানের শহীদ মিরাজের বাবা আব্দুর রব মিয়া প্রতিনিধি হিসেবে স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন, বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত
এছাড়া শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই আন্দোলনে আহত আল মিরাজ এবং জুলাই যোদ্ধা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ইমনও প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানের সঞ্চালক জানান, প্রতীকীভাবে কয়েকজন প্রতিনিধি স্মারক গ্রহণ করলেও জুলাই আন্দোলনের সব শহীদ পরিবার এবং আহতদের জন্য পৃথকভাবে স্মৃতি স্মারক সংরক্ষিত রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সেগুলো সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।আয়োজকদের ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মরণ এবং আহত যোদ্ধাদের অবদানকে সম্মান জানাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের ত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মান জানাতে ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’ প্রদান করা হয়েছে। রাজধানীতে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬’-এ এ সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই স্মৃতি স্মারক প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে জুলাই-২৪ গণঅভ্যুত্থানের শহীদ মিরাজের বাবা আব্দুর রব মিয়া প্রতিনিধি হিসেবে স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন, বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত
এছাড়া শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই আন্দোলনে আহত আল মিরাজ এবং জুলাই যোদ্ধা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ইমনও প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানের সঞ্চালক জানান, প্রতীকীভাবে কয়েকজন প্রতিনিধি স্মারক গ্রহণ করলেও জুলাই আন্দোলনের সব শহীদ পরিবার এবং আহতদের জন্য পৃথকভাবে স্মৃতি স্মারক সংরক্ষিত রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সেগুলো সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।আয়োজকদের ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মরণ এবং আহত যোদ্ধাদের অবদানকে সম্মান জানাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের ত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

আপনার মতামত লিখুন