জয়পুরহাটে আলোচিত শিশু ধর্ষণ মামলায় সাবেক সেনাসদস্য সেরাতুল মুসতাকিন ওরফে রনিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আদালত তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।মঙ্গলবার বিকেলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রিনাত ফেরদৌসী রিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২২ সালে ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা মালয়েশিয়ায় থাকায় সে মায়ের সঙ্গে নানাবাড়িতে বসবাস করত।অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১৪ জুন বিকেলে শিশুটি খেলাধুলার সময় লজেন্স দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একটি শয়নকক্ষে ।
আরও পড়ুন, কসবা র্যাব অভিযানে ঘাসক্ষেত থেকে ৮৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার
নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন আসামি। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।পরদিন শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ঘটনাটি পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। পরে অভিযুক্তের পরিবার দুই লাখ টাকা দিয়ে আপসের চেষ্টা করে। এছাড়া ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে পরে বিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবার প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ২০২২ সালের ৫ আগস্ট আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার বিচারকালে আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
জয়পুরহাটে আলোচিত শিশু ধর্ষণ মামলায় সাবেক সেনাসদস্য সেরাতুল মুসতাকিন ওরফে রনিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আদালত তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।মঙ্গলবার বিকেলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রিনাত ফেরদৌসী রিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২২ সালে ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা মালয়েশিয়ায় থাকায় সে মায়ের সঙ্গে নানাবাড়িতে বসবাস করত।অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১৪ জুন বিকেলে শিশুটি খেলাধুলার সময় লজেন্স দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একটি শয়নকক্ষে ।
আরও পড়ুন, কসবা র্যাব অভিযানে ঘাসক্ষেত থেকে ৮৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার
নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন আসামি। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।পরদিন শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ঘটনাটি পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। পরে অভিযুক্তের পরিবার দুই লাখ টাকা দিয়ে আপসের চেষ্টা করে। এছাড়া ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে পরে বিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবার প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ২০২২ সালের ৫ আগস্ট আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার বিচারকালে আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন