মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।এর আগে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায়, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়, চীনের বেইজিং তাসিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।গত ২১ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যান তারেক রহমান।
আরো পড়ুন , শাহবাগের ফ্ল্যাটে মিলল তরুণী চিকিৎসকের নিথর দেহ
এরপর ২২ জুন তিনি চীন সফরে যান।চীন সফরে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সফরে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।এছাড়া সফরকালে চীনা ব্যবসায়ী ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠক থেকে বাংলাদেশে সম্ভাব্য নতুন বিনিয়োগ, রেয়াতি ঋণ এবং অনুদান নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির তথ্য জানানো হয়।সরকারের পক্ষ থেকে এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মাইলফলক হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।এর আগে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায়, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়, চীনের বেইজিং তাসিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।গত ২১ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যান তারেক রহমান।
আরো পড়ুন , শাহবাগের ফ্ল্যাটে মিলল তরুণী চিকিৎসকের নিথর দেহ
এরপর ২২ জুন তিনি চীন সফরে যান।চীন সফরে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সফরে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।এছাড়া সফরকালে চীনা ব্যবসায়ী ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠক থেকে বাংলাদেশে সম্ভাব্য নতুন বিনিয়োগ, রেয়াতি ঋণ এবং অনুদান নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির তথ্য জানানো হয়।সরকারের পক্ষ থেকে এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মাইলফলক হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন