গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য বিশেষ সরকারি ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, চলতি বাজেটেই গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর প্রস্তাব সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।মন্ত্রী বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও সহায়তায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এখন কান্নার সময় নয়,
আরো পড়ুন , শিক্ষার্থী না থাকায় শতাধিক নয়, ৬২১ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি বন্ধ
অধিকার আদায়ের সময়। তিনি মানবাধিকার কমিশনকে আরও কার্যকর করার পাশাপাশি গুম-সংক্রান্ত একটি সংসদীয় কমিটি গঠনেরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সংলাপে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা তাদের স্বজন হারানোর বেদনাময় অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।এ সময় সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।গুমের শিকার পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ ভাতা চালুর এই ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য বিশেষ সরকারি ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, চলতি বাজেটেই গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর প্রস্তাব সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।মন্ত্রী বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও সহায়তায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এখন কান্নার সময় নয়,
আরো পড়ুন , শিক্ষার্থী না থাকায় শতাধিক নয়, ৬২১ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি বন্ধ
অধিকার আদায়ের সময়। তিনি মানবাধিকার কমিশনকে আরও কার্যকর করার পাশাপাশি গুম-সংক্রান্ত একটি সংসদীয় কমিটি গঠনেরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সংলাপে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা তাদের স্বজন হারানোর বেদনাময় অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।এ সময় সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।গুমের শিকার পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ ভাতা চালুর এই ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন