উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু এলাকায় পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হতে শুরু করেছে।সোমবার কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমলেও কাউনিয়া পয়েন্টে তা এখনও বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদের পানি ৪৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।এদিকে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিচু চরাঞ্চলে
এর প্রভাব পড়েছে। নদীর পানি বাড়তে থাকায় চর ও দ্বীপচর এলাকায় পানি প্রবেশ শুরু করেছে।সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। আমন ধানের বীজতলা, শাকসবজি, পাট ও ভুট্টাখেতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। রাজারহাট উপজেলার চর গতিয়াসাম, সরিষাবাড়ি এবং উলিপুরের চর গোড়াই পিয়ার ও রামনিয়াসহ বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার সব নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীতে পানির চাপ বেড়েছে। তবে বর্তমানে জেলায় বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা না থাকলেও সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি এলাকায় পানি প্রবেশ করে কৃষিজমি প্লাবিত হতে শুরু করেছে।সোমবার দুপুরে
আরো পড়ুন , মেহেরপুরে বিচারপতি জাফর আহমেদ: বিচারপ্রার্থীরা যেন অনুভব করেন রাষ্ট্র তাদের পাশে আছে
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমলেও কাউনিয়া পয়েন্টে তা এখনও বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদের পানি ৪৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।এছাড়া ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানিও স্থিতিশীল থাকলেও নদীগুলোর চর ও দ্বীপচর এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এর ফলে আমন ধানের বীজতলা, শাকসবজি, পাট ও ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলি জমি ক্ষতির মুখে পড়েছে।রাজারহাট উপজেলার চর গতিয়াসাম ও সরিষাবাড়ি এবং উলিপুর উপজেলার চর গোড়াই পিয়ার ও রামনিয়াসহ বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার সব নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি রয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অংশের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। পাশাপাশি উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত এবং ভারতের মেঘালয় ও আসামে অব্যাহত বর্ষণের কারণে নদীগুলোর পানির চাপ বাড়ছে।তবে বর্তমানে বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা না থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু এলাকায় পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হতে শুরু করেছে।সোমবার কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমলেও কাউনিয়া পয়েন্টে তা এখনও বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদের পানি ৪৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।এদিকে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিচু চরাঞ্চলে
এর প্রভাব পড়েছে। নদীর পানি বাড়তে থাকায় চর ও দ্বীপচর এলাকায় পানি প্রবেশ শুরু করেছে।সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। আমন ধানের বীজতলা, শাকসবজি, পাট ও ভুট্টাখেতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। রাজারহাট উপজেলার চর গতিয়াসাম, সরিষাবাড়ি এবং উলিপুরের চর গোড়াই পিয়ার ও রামনিয়াসহ বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার সব নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীতে পানির চাপ বেড়েছে। তবে বর্তমানে জেলায় বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা না থাকলেও সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি এলাকায় পানি প্রবেশ করে কৃষিজমি প্লাবিত হতে শুরু করেছে।সোমবার দুপুরে
আরো পড়ুন , মেহেরপুরে বিচারপতি জাফর আহমেদ: বিচারপ্রার্থীরা যেন অনুভব করেন রাষ্ট্র তাদের পাশে আছে
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমলেও কাউনিয়া পয়েন্টে তা এখনও বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদের পানি ৪৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।এছাড়া ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানিও স্থিতিশীল থাকলেও নদীগুলোর চর ও দ্বীপচর এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এর ফলে আমন ধানের বীজতলা, শাকসবজি, পাট ও ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলি জমি ক্ষতির মুখে পড়েছে।রাজারহাট উপজেলার চর গতিয়াসাম ও সরিষাবাড়ি এবং উলিপুর উপজেলার চর গোড়াই পিয়ার ও রামনিয়াসহ বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার সব নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি রয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অংশের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। পাশাপাশি উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত এবং ভারতের মেঘালয় ও আসামে অব্যাহত বর্ষণের কারণে নদীগুলোর পানির চাপ বাড়ছে।তবে বর্তমানে বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা না থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন