রাজধানী ঢাকায় ভয়াবহ রূপে বিস্তার ঘটেছে কিশোর গ্যাংয়ের। ডিএমপির সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী, ৫০ থানায় সক্রিয় রয়েছে ১১৮টি কিশোর গ্যাং গ্রুপ, যা নগর নিরাপত্তায় বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে।আইনশৃঙ্খলা সূত্র জানায়, এসব গ্যাংয়ের সদস্যরা সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব, এলাকা দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিয়মিত সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। চাপাতি, রড, ছুরি, রামদা এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার ও হামলার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মিরপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি—৩২টি গ্যাং সক্রিয়। এর মধ্যে পল্লবীতেই রয়েছে ১৪টি। এরপর তেজগাঁও বিভাগে ২৬টি গ্যাং শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে মোহাম্মদপুরে রয়েছে ১৬টি।পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ১৪ থেকে ২০ বছর বয়সী কিশোররাই
আরও পড়ুন, রোহিঙ্গাদের জন্য অতিরিক্ত জমি বরাদ্দে জাতিসংঘের প্রস্তাব, সম্মতি দেয়নি বাংলাদেশ
এসব গ্রুপের মূল সদস্য। সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে তারা সংগঠিত হচ্ছে, সদস্য সংগ্রহ করছে এবং সহিংসতা ছড়িয়ে দিচ্ছে।তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পারিবারিক ভাঙন, মাদকাসক্তি এবং অনলাইন সহিংসতার প্রভাব কিশোরদের অপরাধে ঠেলে দিচ্ছে। গত পাঁচ বছরে এসব গ্যাং সংঘর্ষে শতাধিক কিশোর-তরুণ নিহত এবং কয়েকশ আহত হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, তালিকা হালনাগাদ করে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়—পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট নিয়ন্ত্রণ কঠিন।রাজধানীতে কিশোর গ্যাং এখন শুধু অপরাধ নয়, বরং একটি বড় সামাজিক নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
বিষয় : আগ্নেয়াস্ত্র কিশোর গ্যাং নগরবাসী

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
রাজধানী ঢাকায় ভয়াবহ রূপে বিস্তার ঘটেছে কিশোর গ্যাংয়ের। ডিএমপির সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী, ৫০ থানায় সক্রিয় রয়েছে ১১৮টি কিশোর গ্যাং গ্রুপ, যা নগর নিরাপত্তায় বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে।আইনশৃঙ্খলা সূত্র জানায়, এসব গ্যাংয়ের সদস্যরা সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব, এলাকা দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিয়মিত সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। চাপাতি, রড, ছুরি, রামদা এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার ও হামলার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মিরপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি—৩২টি গ্যাং সক্রিয়। এর মধ্যে পল্লবীতেই রয়েছে ১৪টি। এরপর তেজগাঁও বিভাগে ২৬টি গ্যাং শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে মোহাম্মদপুরে রয়েছে ১৬টি।পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ১৪ থেকে ২০ বছর বয়সী কিশোররাই
আরও পড়ুন, রোহিঙ্গাদের জন্য অতিরিক্ত জমি বরাদ্দে জাতিসংঘের প্রস্তাব, সম্মতি দেয়নি বাংলাদেশ
এসব গ্রুপের মূল সদস্য। সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে তারা সংগঠিত হচ্ছে, সদস্য সংগ্রহ করছে এবং সহিংসতা ছড়িয়ে দিচ্ছে।তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পারিবারিক ভাঙন, মাদকাসক্তি এবং অনলাইন সহিংসতার প্রভাব কিশোরদের অপরাধে ঠেলে দিচ্ছে। গত পাঁচ বছরে এসব গ্যাং সংঘর্ষে শতাধিক কিশোর-তরুণ নিহত এবং কয়েকশ আহত হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, তালিকা হালনাগাদ করে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়—পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট নিয়ন্ত্রণ কঠিন।রাজধানীতে কিশোর গ্যাং এখন শুধু অপরাধ নয়, বরং একটি বড় সামাজিক নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন