বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, সুনীল অর্থনীতি আগামী দিনের বাংলাদেশের সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হতে পারে।শনিবার দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীর বিশ্বে সমুদ্র শুধু ভৌগোলিক সীমানার অংশ নয়; বরং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জাতীয় কৌশলগত সক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি।তিনি বলেন, সমুদ্র-সংক্রান্ত তথ্যের আধুনিক, নিরাপদ ও নির্ভুল আদান-প্রদান নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। নির্ভরযোগ্য তথ্যের মাধ্যমে নিরাপদ নৌ-চলাচল, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা সম্ভব।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকা দেশের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এই সমুদ্রসীমায় রয়েছে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতকরণ, সমুদ্রতলের সঠিক মানচিত্র প্রণয়ন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়নে
আরো পড়ুন , ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।তারেক রহমান জানান, সরকার দেশের সামুদ্রিক সম্পদের সুরক্ষা, সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের আধুনিকায়ন, উন্নত প্রযুক্তির সংযোজন, তথ্যব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফি, জিওস্পেশাল ডাটা ব্যবস্থাপনা এবং স্বয়ংক্রিয় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবন সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বৃদ্ধি করাও জরুরি।প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব হবে এবং সুনীল অর্থনীতি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, সুনীল অর্থনীতি আগামী দিনের বাংলাদেশের সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হতে পারে।শনিবার দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীর বিশ্বে সমুদ্র শুধু ভৌগোলিক সীমানার অংশ নয়; বরং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জাতীয় কৌশলগত সক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি।তিনি বলেন, সমুদ্র-সংক্রান্ত তথ্যের আধুনিক, নিরাপদ ও নির্ভুল আদান-প্রদান নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। নির্ভরযোগ্য তথ্যের মাধ্যমে নিরাপদ নৌ-চলাচল, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা সম্ভব।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকা দেশের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এই সমুদ্রসীমায় রয়েছে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতকরণ, সমুদ্রতলের সঠিক মানচিত্র প্রণয়ন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়নে
আরো পড়ুন , ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।তারেক রহমান জানান, সরকার দেশের সামুদ্রিক সম্পদের সুরক্ষা, সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের আধুনিকায়ন, উন্নত প্রযুক্তির সংযোজন, তথ্যব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফি, জিওস্পেশাল ডাটা ব্যবস্থাপনা এবং স্বয়ংক্রিয় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবন সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বৃদ্ধি করাও জরুরি।প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব হবে এবং সুনীল অর্থনীতি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

আপনার মতামত লিখুন