চট্টগ্রামে পাঁচ বছরের শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করার আলোচিত মামলায় আসামি মো. আবীরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।বুধবার চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।আদালত সূত্র জানায়, গত শনিবার মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। বিচারিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপক্ষের ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
আরও পড়ুন, টঙ্গী পশ্চিম থানার অভিযানে ১০,৫০০ পিস ইয়াবা ও ৫৮ লাখ টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ৫৫
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয় এবং তদন্তে নামে পিবিআই।তদন্তে উঠে আসে, তাদের বাসার ভাড়াটিয়া মো. আবীর আয়াতকে অপহরণের পর হত্যা করেন। গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর মরদেহ খণ্ডিত করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরে আকমল আলী ঘাট এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে শিশুটির দেহের অংশ উদ্ধার করা হয়।দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এই হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করলেন।
বিষয় : মৃত্যুদণ্ড আয়াত হত্যা

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরের শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করার আলোচিত মামলায় আসামি মো. আবীরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।বুধবার চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।আদালত সূত্র জানায়, গত শনিবার মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। বিচারিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপক্ষের ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
আরও পড়ুন, টঙ্গী পশ্চিম থানার অভিযানে ১০,৫০০ পিস ইয়াবা ও ৫৮ লাখ টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ৫৫
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয় এবং তদন্তে নামে পিবিআই।তদন্তে উঠে আসে, তাদের বাসার ভাড়াটিয়া মো. আবীর আয়াতকে অপহরণের পর হত্যা করেন। গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর মরদেহ খণ্ডিত করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরে আকমল আলী ঘাট এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে শিশুটির দেহের অংশ উদ্ধার করা হয়।দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এই হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করলেন।

আপনার মতামত লিখুন