কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউনিয়নের ধনু নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে চারজনকে আটক করে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার বাল্কহেড জব্দ করা হয়।বুধবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে নিকলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহিদুল্লাহর নেতৃত্বে ধনু নদীর সিংপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে অংশ নেয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের মো. আলম (৩৫), সাকুয়া গ্রামের আনোয়ার (২৮), তাড়াইল উপজেলার মাগরী গ্রামের মো. মনির (৩০) এবং সৈলাহাটি গ্রামের সজিব মিয়া (১৮)।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ধনু নদীর তলদেশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন কসবায় ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু
অভিযানের সময় নদী থেকে বালু উত্তোলনের কাজে জড়িত অবস্থায় চারজনকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে একটি ড্রেজার বাল্কহেড জব্দ করা হয়।পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় চারজনকে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে প্রেরণ করা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধনু নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীভাঙনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সিংপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি, বসতভিটা, স্থানীয় বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। তারা অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহিদুল্লাহ বলেন, “নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”তিনি আরও বলেন, নদী রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে যারা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশের ক্ষতি করছে, তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন, ঈদযাত্রার চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট
বিষয় : জরিমানা অভিযোগ বালু উত্তোলন

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউনিয়নের ধনু নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে চারজনকে আটক করে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার বাল্কহেড জব্দ করা হয়।বুধবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে নিকলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহিদুল্লাহর নেতৃত্বে ধনু নদীর সিংপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে অংশ নেয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের মো. আলম (৩৫), সাকুয়া গ্রামের আনোয়ার (২৮), তাড়াইল উপজেলার মাগরী গ্রামের মো. মনির (৩০) এবং সৈলাহাটি গ্রামের সজিব মিয়া (১৮)।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ধনু নদীর তলদেশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন কসবায় ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু
অভিযানের সময় নদী থেকে বালু উত্তোলনের কাজে জড়িত অবস্থায় চারজনকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে একটি ড্রেজার বাল্কহেড জব্দ করা হয়।পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় চারজনকে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে প্রেরণ করা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধনু নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীভাঙনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সিংপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি, বসতভিটা, স্থানীয় বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। তারা অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহিদুল্লাহ বলেন, “নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”তিনি আরও বলেন, নদী রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে যারা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশের ক্ষতি করছে, তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন, ঈদযাত্রার চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট

আপনার মতামত লিখুন