রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ—ডিএমপি। গত এক মাসে সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩৮ হাজারের বেশি মামলা করেছে সংস্থাটি। একই সময়ে জরিমানা আদায় হয়েছে ৮ কোটি ৭১ লাখ টাকারও বেশি।বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, গত এক মাসে মোট ৩৮ হাজার ২৮৪টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭২টি মামলা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে।ডিএমপি কমিশনার জানান, বর্তমানে রাজধানীর ৫৭টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৭০টি এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এসব ক্যামেরা ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন স্বয়ংক্রিয়ভাবে
আরো পড়ুন , বাড়তি দাম থেকে পিছিয়ে এলো বিইআরসি, লাইফলাইন বিদ্যুতে আগের হার বহাল
শনাক্ত করছে। যেমন—লেন পরিবর্তন, বাম লেন অবরোধ বা নির্ধারিত নিয়ম ভঙ্গ করলে সেই গাড়ির তথ্য সরাসরি সিস্টেমে চলে আসছে।তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে শতভাগ নিশ্চিত হয়েই মামলা করা হচ্ছে। তবে এআই মামলার নামে কিছু প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে বলে সতর্ক করেছেন ডিএমপি কমিশনার। এ বিষয়ে পুলিশের সাইবার টিম কাজ করছে।মোসলেহ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান। প্রধানমন্ত্রী নিজেও ট্রাফিক আইন মেনে চলেন। তাই সরকারি-বেসরকারি বা পুলিশ সদস্য—যেই আইন ভাঙবেন, তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ডিএমপি জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে পুরো ঢাকা শহরকে এআই ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ—ডিএমপি। গত এক মাসে সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩৮ হাজারের বেশি মামলা করেছে সংস্থাটি। একই সময়ে জরিমানা আদায় হয়েছে ৮ কোটি ৭১ লাখ টাকারও বেশি।বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, গত এক মাসে মোট ৩৮ হাজার ২৮৪টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭২টি মামলা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে।ডিএমপি কমিশনার জানান, বর্তমানে রাজধানীর ৫৭টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৭০টি এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এসব ক্যামেরা ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন স্বয়ংক্রিয়ভাবে
আরো পড়ুন , বাড়তি দাম থেকে পিছিয়ে এলো বিইআরসি, লাইফলাইন বিদ্যুতে আগের হার বহাল
শনাক্ত করছে। যেমন—লেন পরিবর্তন, বাম লেন অবরোধ বা নির্ধারিত নিয়ম ভঙ্গ করলে সেই গাড়ির তথ্য সরাসরি সিস্টেমে চলে আসছে।তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে শতভাগ নিশ্চিত হয়েই মামলা করা হচ্ছে। তবে এআই মামলার নামে কিছু প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে বলে সতর্ক করেছেন ডিএমপি কমিশনার। এ বিষয়ে পুলিশের সাইবার টিম কাজ করছে।মোসলেহ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান। প্রধানমন্ত্রী নিজেও ট্রাফিক আইন মেনে চলেন। তাই সরকারি-বেসরকারি বা পুলিশ সদস্য—যেই আইন ভাঙবেন, তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ডিএমপি জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে পুরো ঢাকা শহরকে এআই ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন