অচল হয়ে পড়ে থাকা সরকারি কারখানাগুলোতে নতুন প্রাণ ফেরাতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বন্ধ ও অলাভজনক শিল্পপ্রতিষ্ঠানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে শিগগিরই আয়োজন করা হবে বিশেষ রোড শো। এ লক্ষ্যে চলতি মাসের মধ্যেই সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান শিপলু জানিয়েছেন, সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বন্ধ ও অলাভজনক কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা, সমস্যা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন, সাংবাদিকরা সংসদ ও জনগণের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন : স্পিকার
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্টদের দ্রুত বন্ধ কারখানাগুলো চালু করার পাশাপাশি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করার কার্যকর উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভায় জানানো হয়, বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ গ্রহণ করা হচ্ছে। এসব সুপারিশের ভিত্তিতে শিল্পখাতে নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।সভায় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অর্থনীতিবিদদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সচল করা গেলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
আরও পড়ুন, বাইক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় নতুন কর নয়, স্বস্তি লাখো মানুষের
বিষয় : বন্ধ কারখানা বড় উদ্যোগ শিল্পপ্রতিষ্ঠান

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
অচল হয়ে পড়ে থাকা সরকারি কারখানাগুলোতে নতুন প্রাণ ফেরাতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বন্ধ ও অলাভজনক শিল্পপ্রতিষ্ঠানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে শিগগিরই আয়োজন করা হবে বিশেষ রোড শো। এ লক্ষ্যে চলতি মাসের মধ্যেই সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান শিপলু জানিয়েছেন, সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বন্ধ ও অলাভজনক কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা, সমস্যা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন, সাংবাদিকরা সংসদ ও জনগণের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন : স্পিকার
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্টদের দ্রুত বন্ধ কারখানাগুলো চালু করার পাশাপাশি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করার কার্যকর উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভায় জানানো হয়, বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ গ্রহণ করা হচ্ছে। এসব সুপারিশের ভিত্তিতে শিল্পখাতে নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।সভায় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অর্থনীতিবিদদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সচল করা গেলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
আরও পড়ুন, বাইক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় নতুন কর নয়, স্বস্তি লাখো মানুষের

আপনার মতামত লিখুন