স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী আগস্ট মাসে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। আর ভোটগ্রহণ হতে পারে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে অথবা অক্টোবরের শুরুতে।ঈদের পর নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে জুন ও জুলাইয়ের মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আগস্ট থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভোট করতে হলে আগস্টেই তফসিল ঘোষণা করতে হবে। কারণ সাধারণত নির্বাচনের এক থেকে দেড় মাস আগে তফসিল প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন , রামিসা হত্যা মামলার রায়ের দিনক্ষণ আজ, মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার আইন ও বিধিমালা সংস্কার, নির্বাচনী সরঞ্জামের মজুদ এবং অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজ আগামী তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টি পৌরসভা, ৬১টি জেলা পরিষদ এবং ১৩টি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদে নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। তবে কোন নির্বাচন দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন , এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি ও ইন্টারনেট সংযোগ সংক্রান্ত নির্দেশনা স্থগিত
বিষয় : নির্বাচন তফসিল সেপ্টেম্বর-অক্টোবর

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী আগস্ট মাসে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। আর ভোটগ্রহণ হতে পারে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে অথবা অক্টোবরের শুরুতে।ঈদের পর নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে জুন ও জুলাইয়ের মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আগস্ট থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভোট করতে হলে আগস্টেই তফসিল ঘোষণা করতে হবে। কারণ সাধারণত নির্বাচনের এক থেকে দেড় মাস আগে তফসিল প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন , রামিসা হত্যা মামলার রায়ের দিনক্ষণ আজ, মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার আইন ও বিধিমালা সংস্কার, নির্বাচনী সরঞ্জামের মজুদ এবং অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজ আগামী তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টি পৌরসভা, ৬১টি জেলা পরিষদ এবং ১৩টি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদে নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। তবে কোন নির্বাচন দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন , এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি ও ইন্টারনেট সংযোগ সংক্রান্ত নির্দেশনা স্থগিত

আপনার মতামত লিখুন