ঈদুল আজহার দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে দেখা গেছে এক ভিন্ন বাস্তবতা। মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির মাংস সংগ্রহ করে তা আবার কেজি দরে বিক্রি করছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। আর কম দামে সেই মাংস কিনছেন আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারগুলো।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাতুরবাড়ি মোড়, চৌরাস্তা, উপজেলা ব্রিজ ও রূপসদী এলাকায় ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। বিকেল গড়াতেই বিভিন্ন স্থানে কোরবানির মাংস বিক্রি শুরু হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেউ মৌসুমি কসাই হিসেবে কাজ করে মাংস সংগ্রহ করেছেন, আবার কেউ মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে পাওয়া মাংস থেকে নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে বাকিটা বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন।
আরও পড়ুন, বগুড়া শহরে কোরবানির মাংসের অস্থায়ী হাট, কেজিপ্রতি ৭৮০–৮০০ টাকা
মাতুরবাড়ি মোড়ে দেখা মেলে এক অসহায় বাবার। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, জীবনে এমন সংকটে পড়েননি। আগে শরিক হয়ে কোরবানি দিলেও এবার পারেননি। বিদেশে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফেরার পর এখন বেকার জীবন কাটছে। সন্তানের জন্য মাংস কিনতেই কম দামের বাজারে এসেছেন তিনি।
আরও পড়ুন, ৮ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্যমুক্ত সিলেট নগরী
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভালো মানের গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হলেও তুলনামূলক চর্বিযুক্ত মাংস ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছু এলাকায় হাড় থেকে আলাদা করা মাংস ৫০০ টাকা কেজি এবং মাথার মাংস ২৫০ টাকায়ও বিক্রি হতে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন, ৮ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্যমুক্ত সিলেট নগরী
আল আমিন নামের এক বিক্রেতা জানান, পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে অতিরিক্ত মাংস বিক্রি করছেন তিনি। এই টাকায় সন্তানদের জন্য পোশাক ও পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী ক্রেতা বলেন, অসুস্থ স্বামী ও সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে এবার কোরবানি না দিয়েও কম দামে মাংস কিনতে বাধ্য হয়েছেন।
বিষয় : ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঈদুল আজহা মাংস কোরবানির মাংস

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
ঈদুল আজহার দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে দেখা গেছে এক ভিন্ন বাস্তবতা। মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির মাংস সংগ্রহ করে তা আবার কেজি দরে বিক্রি করছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। আর কম দামে সেই মাংস কিনছেন আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারগুলো।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাতুরবাড়ি মোড়, চৌরাস্তা, উপজেলা ব্রিজ ও রূপসদী এলাকায় ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। বিকেল গড়াতেই বিভিন্ন স্থানে কোরবানির মাংস বিক্রি শুরু হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেউ মৌসুমি কসাই হিসেবে কাজ করে মাংস সংগ্রহ করেছেন, আবার কেউ মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে পাওয়া মাংস থেকে নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে বাকিটা বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন।
আরও পড়ুন, বগুড়া শহরে কোরবানির মাংসের অস্থায়ী হাট, কেজিপ্রতি ৭৮০–৮০০ টাকা
মাতুরবাড়ি মোড়ে দেখা মেলে এক অসহায় বাবার। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, জীবনে এমন সংকটে পড়েননি। আগে শরিক হয়ে কোরবানি দিলেও এবার পারেননি। বিদেশে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফেরার পর এখন বেকার জীবন কাটছে। সন্তানের জন্য মাংস কিনতেই কম দামের বাজারে এসেছেন তিনি।
আরও পড়ুন, ৮ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্যমুক্ত সিলেট নগরী
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভালো মানের গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হলেও তুলনামূলক চর্বিযুক্ত মাংস ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছু এলাকায় হাড় থেকে আলাদা করা মাংস ৫০০ টাকা কেজি এবং মাথার মাংস ২৫০ টাকায়ও বিক্রি হতে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন, ৮ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্যমুক্ত সিলেট নগরী
আল আমিন নামের এক বিক্রেতা জানান, পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে অতিরিক্ত মাংস বিক্রি করছেন তিনি। এই টাকায় সন্তানদের জন্য পোশাক ও পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী ক্রেতা বলেন, অসুস্থ স্বামী ও সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে এবার কোরবানি না দিয়েও কম দামে মাংস কিনতে বাধ্য হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন