গাজীপুরের বাসন এলাকায় ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে বিএনপির এক নেতাকে তুলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে একটি টর্চার সেলে আটকে রেখে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্যাতন চালানো হয়। পরে তাকে মিথ্যা চুরির অভিযোগে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান পরিবারটি।
আরও পড়ুন, প্রস্তুত শোলাকিয়া ঈদগাহ : ঈদ-উল- আজহার জামাত সকাল ৯টায়
জানা মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাসন মেট্রো থানা বিএনপি, ইটাহাটা ১৩ নং ওয়ার্ড মতি মার্কেট এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে মোহাম্মদ হালিম মোল্লা ফোন করে তাকে ডেকে নেয়। পরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে নিজস্ব টর্চার সেলে আটকে রেখে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এসময় তার পকেটে থাকা এক লাখ টাকা আব্দুল মান্নান নামে এক ব্যক্তি ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
আরও পড়ুন, কসবায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত ৭৫ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
সংবাদ সম্মেলনে বলেন,এ ঘটনায় শরীফ আজাদ, মাসুদ রানা, নুর ইসলাম দিপু, আসাদুল ইসলাম আসু, মোহাম্মদ সাজু সরকারসহ আরও অজ্ঞাতনামা কয়েকজন জড়িত বলে দাবি করেছে পরিবার। পরিবার আরও জানায়, ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে পরে আমিরুল ইসলামকে মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে থানায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে রয়েছেন।
আরও পড়ুন, আলীকদমে কবরস্থানের পাহাড় কেটে দুইটি কবর সহ মাটি বিক্রির অভিযোগ
এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, মামলা ও ঘটনার বিষয়ে মুখ খুললেই তাদেরকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরিবারের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করে তারা সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
গাজীপুরের বাসন এলাকায় ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে বিএনপির এক নেতাকে তুলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে একটি টর্চার সেলে আটকে রেখে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্যাতন চালানো হয়। পরে তাকে মিথ্যা চুরির অভিযোগে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান পরিবারটি।
আরও পড়ুন, প্রস্তুত শোলাকিয়া ঈদগাহ : ঈদ-উল- আজহার জামাত সকাল ৯টায়
জানা মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাসন মেট্রো থানা বিএনপি, ইটাহাটা ১৩ নং ওয়ার্ড মতি মার্কেট এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে মোহাম্মদ হালিম মোল্লা ফোন করে তাকে ডেকে নেয়। পরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে নিজস্ব টর্চার সেলে আটকে রেখে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এসময় তার পকেটে থাকা এক লাখ টাকা আব্দুল মান্নান নামে এক ব্যক্তি ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
আরও পড়ুন, কসবায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত ৭৫ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
সংবাদ সম্মেলনে বলেন,এ ঘটনায় শরীফ আজাদ, মাসুদ রানা, নুর ইসলাম দিপু, আসাদুল ইসলাম আসু, মোহাম্মদ সাজু সরকারসহ আরও অজ্ঞাতনামা কয়েকজন জড়িত বলে দাবি করেছে পরিবার। পরিবার আরও জানায়, ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে পরে আমিরুল ইসলামকে মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে থানায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে রয়েছেন।
আরও পড়ুন, আলীকদমে কবরস্থানের পাহাড় কেটে দুইটি কবর সহ মাটি বিক্রির অভিযোগ
এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, মামলা ও ঘটনার বিষয়ে মুখ খুললেই তাদেরকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরিবারের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করে তারা সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন