সারা দেশে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হলেও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে আজ বুধবার ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০ গ্রামের আংশিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
আরও পড়ুন, সৌদির সঙ্গে মিল রেখে সোনারগাঁয়ের ২৩ গ্রামে আজ ঈদুল আজহা উদযাপন
দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতির ধারাবাহিকতায় উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ এক দিন আগে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে পর্যায়ক্রমে সহস্রাইল দায়রা শরীফ, রাখালতলি ও মাইটকুমরা মসজিদে চারটি জামায়াতে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন, ঈদযাত্রায় নিরাপত্তা জোরদার করল র্যাব-৫
স্থানীয় সূত্র জানায়, কাটাগড়, সহস্রাইল, দরিসহস্রাইল, মাইটকুমরা, রাখালতলি ও গঙ্গানন্দপুরসহ অন্তত ১০ গ্রামের কিছু মানুষ চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফের অনুসারী হিসেবে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করেন। প্রতিবছরের মতো এবারও এসব এলাকায় ঈদ উদযাপনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
আরও পড়ুন, কোরবানির স্বপ্ন ভেঙে চুরমার: এক রাতেই চুরি হলো দম্পতির পালিত গরু
সহস্রাইল দায়রা শরীফে নামাজ শেষে মুসল্লিদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও করেছে মসজিদ কমিটি। সেখানে জামায়াতে ইমামতি করবেন ধলেরচর দরবার শরীফের পীর সাহেব মুফতি মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান। স্থানীয়দের ভাষ্য, এ অঞ্চলে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের প্রথা বহু বছরের পুরোনো। নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসরণ করেই তারা প্রতিবছর আলাদা দিনে ঈদ পালন করে থাকেন।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
সারা দেশে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হলেও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে আজ বুধবার ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০ গ্রামের আংশিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
আরও পড়ুন, সৌদির সঙ্গে মিল রেখে সোনারগাঁয়ের ২৩ গ্রামে আজ ঈদুল আজহা উদযাপন
দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতির ধারাবাহিকতায় উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ এক দিন আগে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে পর্যায়ক্রমে সহস্রাইল দায়রা শরীফ, রাখালতলি ও মাইটকুমরা মসজিদে চারটি জামায়াতে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন, ঈদযাত্রায় নিরাপত্তা জোরদার করল র্যাব-৫
স্থানীয় সূত্র জানায়, কাটাগড়, সহস্রাইল, দরিসহস্রাইল, মাইটকুমরা, রাখালতলি ও গঙ্গানন্দপুরসহ অন্তত ১০ গ্রামের কিছু মানুষ চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফের অনুসারী হিসেবে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করেন। প্রতিবছরের মতো এবারও এসব এলাকায় ঈদ উদযাপনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
আরও পড়ুন, কোরবানির স্বপ্ন ভেঙে চুরমার: এক রাতেই চুরি হলো দম্পতির পালিত গরু
সহস্রাইল দায়রা শরীফে নামাজ শেষে মুসল্লিদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও করেছে মসজিদ কমিটি। সেখানে জামায়াতে ইমামতি করবেন ধলেরচর দরবার শরীফের পীর সাহেব মুফতি মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান। স্থানীয়দের ভাষ্য, এ অঞ্চলে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের প্রথা বহু বছরের পুরোনো। নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসরণ করেই তারা প্রতিবছর আলাদা দিনে ঈদ পালন করে থাকেন।

আপনার মতামত লিখুন