ঈদুল আজহা সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। বিশেষ করে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এখন ঈদযাত্রার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও যানজটপ্রবণ পয়েন্ট হিসেবে দেখা দিচ্ছে।চন্দ্রা এলাকায় ভাসমান বাজার, ব্যাটারিচালিত রিকশার অবাধ চলাচল, অবৈধ স্থাপনা ও যত্রতত্র বাস থামানোর কারণে প্রায়ই তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। ঈদকে সামনে রেখে এই সমস্যা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এই চন্দ্রা ত্রিমোড় দিয়ে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অন্তত ২৫ জেলার যানবাহন চলাচল করে। ফলে ঈদযাত্রার চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায় এখানে।
আরও পড়ুন , টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে আগুন, মুহূর্তে ছাই একটি পরিবারের স্বপ্ন
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মহাসড়কে প্রায় ১,৩৭০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে যানজট নিয়ন্ত্রণে। তবে উড়ালসড়কের পশ্চিম পাশে সড়ক সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ঝুঁকির জায়গা তৈরি হয়েছে চন্দ্রা এলাকা।কারখানাগুলোর ছুটি শুরু হওয়ায় হাজার হাজার শ্রমিক ইতোমধ্যে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছেন। এতে বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে।স্থানীয়রা জানান, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংযোগস্থল হওয়ায় চন্দ্রা ত্রিমোড় সবসময়ই ব্যস্ত থাকে। এর সঙ্গে অবৈধ পার্কিং, বাস কাউন্টার ও যাত্রী ওঠানামা যুক্ত হয়ে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট।যাত্রীরা বলছেন, চন্দ্রা পেরোতেই ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। আবার বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামার কারণে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।
বিষয় : যানজট ঢাকা-টাঙ্গাইল ঘরমুখো মানুষে

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ঈদুল আজহা সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। বিশেষ করে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এখন ঈদযাত্রার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও যানজটপ্রবণ পয়েন্ট হিসেবে দেখা দিচ্ছে।চন্দ্রা এলাকায় ভাসমান বাজার, ব্যাটারিচালিত রিকশার অবাধ চলাচল, অবৈধ স্থাপনা ও যত্রতত্র বাস থামানোর কারণে প্রায়ই তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। ঈদকে সামনে রেখে এই সমস্যা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এই চন্দ্রা ত্রিমোড় দিয়ে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অন্তত ২৫ জেলার যানবাহন চলাচল করে। ফলে ঈদযাত্রার চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায় এখানে।
আরও পড়ুন , টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে আগুন, মুহূর্তে ছাই একটি পরিবারের স্বপ্ন
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মহাসড়কে প্রায় ১,৩৭০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে যানজট নিয়ন্ত্রণে। তবে উড়ালসড়কের পশ্চিম পাশে সড়ক সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ঝুঁকির জায়গা তৈরি হয়েছে চন্দ্রা এলাকা।কারখানাগুলোর ছুটি শুরু হওয়ায় হাজার হাজার শ্রমিক ইতোমধ্যে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছেন। এতে বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে।স্থানীয়রা জানান, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংযোগস্থল হওয়ায় চন্দ্রা ত্রিমোড় সবসময়ই ব্যস্ত থাকে। এর সঙ্গে অবৈধ পার্কিং, বাস কাউন্টার ও যাত্রী ওঠানামা যুক্ত হয়ে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট।যাত্রীরা বলছেন, চন্দ্রা পেরোতেই ১ থেকে ২ ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। আবার বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামার কারণে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন