রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলায় তদন্তে এসেছে বড় অগ্রগতি। ধর্ষণের পর নির্মম হত্যার ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এসব গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযোগপত্র তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুন ডিএনএ রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টও সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, রিপোর্টগুলো মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও তথ্যকে আরও স্পষ্ট করেছে।জানা গেছে, তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ। এখন অভিযোগপত্র বা চার্জশিট প্রস্তুতের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল রোববারই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে। ফলে বহুল আলোচিত এই মামলায় বিচারিক
আরো পড়ুন , চলতি বছর হজে সৌদি আরবে ২৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসার তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়।অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে আটক করা হয়। পরদিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন তিনি।এখন প্রশ্ন—ডিএনএ ও ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতে কত দ্রুত বিচার শুরু হয় এবং ছোট্ট রামিসার পরিবার কতটা ন্যায়বিচার পায়, সেটিই দেখছে পুরো দেশ।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলায় তদন্তে এসেছে বড় অগ্রগতি। ধর্ষণের পর নির্মম হত্যার ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এসব গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযোগপত্র তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুন ডিএনএ রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টও সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, রিপোর্টগুলো মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও তথ্যকে আরও স্পষ্ট করেছে।জানা গেছে, তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ। এখন অভিযোগপত্র বা চার্জশিট প্রস্তুতের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল রোববারই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে। ফলে বহুল আলোচিত এই মামলায় বিচারিক
আরো পড়ুন , চলতি বছর হজে সৌদি আরবে ২৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসার তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়।অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে আটক করা হয়। পরদিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন তিনি।এখন প্রশ্ন—ডিএনএ ও ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতে কত দ্রুত বিচার শুরু হয় এবং ছোট্ট রামিসার পরিবার কতটা ন্যায়বিচার পায়, সেটিই দেখছে পুরো দেশ।

আপনার মতামত লিখুন