রাজধানীর পল্লবীর ৭ নম্বর সড়কের একটি বহুতল ভবনের তৃতীয় তলার ছোট্ট একটি ফ্ল্যাট— আর দরজার সামনে পড়ে থাকা একটি কালো স্যান্ডেল। সেটিই যেন এখন নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে শিশু রামিসা আক্তারের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, রামিসাদের ফ্ল্যাটের দরজার সামনে পড়ে আছে ছোট্ট সেই স্যান্ডেল। অপর পাশেই অভিযুক্তের ফ্ল্যাট— যেখানে ঘটেছিল এক হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডি। এলাকাজুড়ে শোক, ক্ষোভ আর আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।
আরও পড়ুন, রামিসা হত্যা ও নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে রংপুরে মানববন্ধন
দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা পড়ত স্থানীয় একটি স্কুলে। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ছোট্ট মেয়েটির স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার। অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করবে— এমন স্বপ্নের কথা প্রায়ই বলত সে। কিন্তু সেই স্বপ্ন থেমে গেছে নির্মম এক ঘটনায়। রামিসার বাবা-মা এখন শোকাহত ও বাকরুদ্ধ। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সন্তান হারানোর বেদনায় তারা ভেঙে পড়েছেন। স্বজনদের ভাষ্য, রামিসার বাবা-মা স্বাভাবিকভাবে কথা বলার অবস্থাতেও নেই।
এদিকে, এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে। রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে পল্লবী ও মিরপুর এলাকায় বিক্ষোভ হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এমন অপরাধ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারা দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন, চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত ২৩
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সারা দেশে আলোচিত এই ঘটনায় এখন একটাই প্রশ্ন— ছোট্ট রামিসার জন্য কি দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত হবে?
বিষয় : হত্যাকাণ্ড পল্লবী রামিসা স্যান্ডেল ট্র্যাজেডি

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীর ৭ নম্বর সড়কের একটি বহুতল ভবনের তৃতীয় তলার ছোট্ট একটি ফ্ল্যাট— আর দরজার সামনে পড়ে থাকা একটি কালো স্যান্ডেল। সেটিই যেন এখন নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে শিশু রামিসা আক্তারের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, রামিসাদের ফ্ল্যাটের দরজার সামনে পড়ে আছে ছোট্ট সেই স্যান্ডেল। অপর পাশেই অভিযুক্তের ফ্ল্যাট— যেখানে ঘটেছিল এক হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডি। এলাকাজুড়ে শোক, ক্ষোভ আর আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।
আরও পড়ুন, রামিসা হত্যা ও নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে রংপুরে মানববন্ধন
দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা পড়ত স্থানীয় একটি স্কুলে। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ছোট্ট মেয়েটির স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার। অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করবে— এমন স্বপ্নের কথা প্রায়ই বলত সে। কিন্তু সেই স্বপ্ন থেমে গেছে নির্মম এক ঘটনায়। রামিসার বাবা-মা এখন শোকাহত ও বাকরুদ্ধ। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সন্তান হারানোর বেদনায় তারা ভেঙে পড়েছেন। স্বজনদের ভাষ্য, রামিসার বাবা-মা স্বাভাবিকভাবে কথা বলার অবস্থাতেও নেই।
এদিকে, এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে। রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে পল্লবী ও মিরপুর এলাকায় বিক্ষোভ হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এমন অপরাধ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারা দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন, চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত ২৩
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সারা দেশে আলোচিত এই ঘটনায় এখন একটাই প্রশ্ন— ছোট্ট রামিসার জন্য কি দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত হবে?

আপনার মতামত লিখুন