সরকারি খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, নতুন পরিপত্র অনুযায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজ উদ্যোগে ও নিজ ব্যয়ে সরকারি খাল খনন করতে পারবে। একই সঙ্গে খননকৃত মাটি ও বালি অপসারণ, ব্যবহার কিংবা বিক্রির সুযোগও থাকবে।
আরও পড়ুন, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে টিকা দেরি, বাড়ল শিশুমৃত্যু
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সড়ক নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, মাঠ ভরাট, বসতভিটা উন্নয়ন ও ইটভাটাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে মাটি ও বালির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে খাল খননে ব্যক্তি খাতকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া কঠোর প্রশাসনিক তদারকির আওতায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন, গঙ্গা চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে কলকাতায় ভারত-বাংলাদেশ বৈঠক
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করে খাল খননের অনুমতি নিতে পারবে। এতে আরও বলা হয়েছে, অনুমোদিত নকশার বাইরে অতিরিক্ত খনন করা যাবে না। যদি অতিরিক্ত খননের কারণে পার্শ্ববর্তী জমি বা স্থাপনার ক্ষতি হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
আরও পড়ুন, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর পূর্তিতে ৫০টি বিশেষ রিকশার উদ্বোধন
বিরোধ দেখা দিলে তা নিষ্পত্তির ক্ষমতা থাকবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হাতে, এবং তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে একদিকে খালের নাব্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে, অন্যদিকে উন্নয়নকাজে মাটি-বালির সরবরাহ ব্যবস্থাও সহজ হবে।
বিষয় : নির্দেশনা পুনঃখনন সরকারি খাল খনন

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
সরকারি খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, নতুন পরিপত্র অনুযায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজ উদ্যোগে ও নিজ ব্যয়ে সরকারি খাল খনন করতে পারবে। একই সঙ্গে খননকৃত মাটি ও বালি অপসারণ, ব্যবহার কিংবা বিক্রির সুযোগও থাকবে।
আরও পড়ুন, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে টিকা দেরি, বাড়ল শিশুমৃত্যু
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সড়ক নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, মাঠ ভরাট, বসতভিটা উন্নয়ন ও ইটভাটাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে মাটি ও বালির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে খাল খননে ব্যক্তি খাতকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া কঠোর প্রশাসনিক তদারকির আওতায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন, গঙ্গা চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে কলকাতায় ভারত-বাংলাদেশ বৈঠক
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করে খাল খননের অনুমতি নিতে পারবে। এতে আরও বলা হয়েছে, অনুমোদিত নকশার বাইরে অতিরিক্ত খনন করা যাবে না। যদি অতিরিক্ত খননের কারণে পার্শ্ববর্তী জমি বা স্থাপনার ক্ষতি হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
আরও পড়ুন, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর পূর্তিতে ৫০টি বিশেষ রিকশার উদ্বোধন
বিরোধ দেখা দিলে তা নিষ্পত্তির ক্ষমতা থাকবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হাতে, এবং তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে একদিকে খালের নাব্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে, অন্যদিকে উন্নয়নকাজে মাটি-বালির সরবরাহ ব্যবস্থাও সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন