রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মনিরাম দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, তাদের দমনে মামলা-হামলা, হুমকি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদে রবিবার বিকেল ৪টায় বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির আয়োজন করে স্থানীয় শিক্ষার্থী, যুবসমাজ ও সচেতন নাগরিকরা।
আরও পড়ুন, পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলা: প্রধান শিক্ষককে শোকজ, আগেই বিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষা কর্মকর্তারা
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বরকত উল্লাহ সরকার। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলার জন্য স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করতে না পারায় শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ মে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। বক্তারা জানান, পরদিন ১২ মে বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় মাঠ খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত করা এবং সংস্কার শেষে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।
আনও পড়ুন, তনু হত্যা মামলায় নতুন ডিএনএ রহস্য
তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে বখাটে” আখ্যা দিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেন। এছাড়া তাদের ছবি ধারণ, মিথ্যা মামলার ভয়ভীতি এবং শিক্ষার্থীদের টিসি দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে কয়েকজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নিয়ে মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
আরও পড়ুন, সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢোকার সময় সাবেক পররাষ্ট্র ডিজি সাব্বির বিন শামস আটক
এ সময় চার দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে মানহানিকর পোস্ট অপসারণ, প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা, আন্দোলনকারীদের হয়রানি বন্ধের নিশ্চয়তা এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আইনি পদক্ষেপসহ বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
বিষয় : দুর্নীতি সংবাদ সম্মেলন গঙ্গাচড়া রংপুর

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মনিরাম দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, তাদের দমনে মামলা-হামলা, হুমকি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদে রবিবার বিকেল ৪টায় বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির আয়োজন করে স্থানীয় শিক্ষার্থী, যুবসমাজ ও সচেতন নাগরিকরা।
আরও পড়ুন, পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলা: প্রধান শিক্ষককে শোকজ, আগেই বিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষা কর্মকর্তারা
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বরকত উল্লাহ সরকার। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলার জন্য স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করতে না পারায় শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ মে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। বক্তারা জানান, পরদিন ১২ মে বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় মাঠ খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত করা এবং সংস্কার শেষে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।
আনও পড়ুন, তনু হত্যা মামলায় নতুন ডিএনএ রহস্য
তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে বখাটে” আখ্যা দিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেন। এছাড়া তাদের ছবি ধারণ, মিথ্যা মামলার ভয়ভীতি এবং শিক্ষার্থীদের টিসি দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে কয়েকজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নিয়ে মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
আরও পড়ুন, সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢোকার সময় সাবেক পররাষ্ট্র ডিজি সাব্বির বিন শামস আটক
এ সময় চার দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে মানহানিকর পোস্ট অপসারণ, প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা, আন্দোলনকারীদের হয়রানি বন্ধের নিশ্চয়তা এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আইনি পদক্ষেপসহ বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

আপনার মতামত লিখুন