ফিফা বিশ্বকাপে তাপমাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছে জলবায়ুবিষয়ক গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন। তাদের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য তাপজনিত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশের জয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে বড় রদবদল, পিছিয়ে পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে মোট ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে অন্তত ২৬টি ম্যাচে ‘ওয়েট বাল্ব গ্লোব টেম্পারেচার’ বা ডব্লিউবিজিটি ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই সূচক শুধু তাপমাত্রা নয়, আর্দ্রতা, সূর্যের তাপ এবং বাতাসের প্রভাব মিলিয়ে মানুষের শরীরের তাপ সহনশীলতা নির্ধারণ করে।আন্তর্জাতিক ফুটবলারদের সংগঠন ফিফপ্রোর মতে, ডব্লিউবিজিটি ২৬ ডিগ্রি হলে খেলোয়াড়দের ওপর তাপজনিত চাপ গুরুতর ঝুঁকিতে পরিণত হয়। আর ২৮ ডিগ্রি বা তার বেশি হলে ম্যাচ স্থগিত বা পুনঃনির্ধারণের সুপারিশ করা হয়। গবেষণা বলছে, অন্তত পাঁচটি ম্যাচে এই সীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন, মেসির ম্যাজিকেই ৫ গোলের থ্রিলারে উড়ল মায়ামি
২০২৬ বিশ্বকাপে ১৬টি স্টেডিয়ামে আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে অতিরিক্ত গরমের ঝুঁকি বিবেচনায় ফিফা প্রতি অর্ধে বাধ্যতামূলক ‘কুলিং ব্রেক’ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, বিশেষ করে ডালাস, হিউস্টন ও আটলান্টার মতো ভেন্যুতে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। কিছু স্টেডিয়ামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকলেও অনেক মাঠে তা নেই, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।
আরও পড়ুন, বিশ্বকাপের আগে তিন প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে মরক্কো, নতুন কোচ ওয়াহবিকে সময় দিচ্ছে ফেডারেশন
জলবায়ুবিজ্ঞানী ফ্রেইডেরিকে ওট্টো বলেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো বড় আসরও যদি বাতিল পর্যায়ের গরমের ঝুঁকিতে পড়ে, তবে এটি ফিফার জন্য বড় সতর্কবার্তা। তিনি আরও জানান, খেলোয়াড়দের পাশাপাশি দর্শকরাও স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে থাকবেন, বিশেষ করে যারা খোলা জায়গায় দীর্ঘ সময় অবস্থান করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন কেবল পরিবেশগত বিষয় নয়, বরং বিশ্ব ক্রীড়ার ভবিষ্যৎ আয়োজনের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।
বিষয় : সতর্কতা ফিফা বিশ্বকাপ গরম

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপে তাপমাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছে জলবায়ুবিষয়ক গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন। তাদের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য তাপজনিত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশের জয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে বড় রদবদল, পিছিয়ে পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে মোট ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে অন্তত ২৬টি ম্যাচে ‘ওয়েট বাল্ব গ্লোব টেম্পারেচার’ বা ডব্লিউবিজিটি ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই সূচক শুধু তাপমাত্রা নয়, আর্দ্রতা, সূর্যের তাপ এবং বাতাসের প্রভাব মিলিয়ে মানুষের শরীরের তাপ সহনশীলতা নির্ধারণ করে।আন্তর্জাতিক ফুটবলারদের সংগঠন ফিফপ্রোর মতে, ডব্লিউবিজিটি ২৬ ডিগ্রি হলে খেলোয়াড়দের ওপর তাপজনিত চাপ গুরুতর ঝুঁকিতে পরিণত হয়। আর ২৮ ডিগ্রি বা তার বেশি হলে ম্যাচ স্থগিত বা পুনঃনির্ধারণের সুপারিশ করা হয়। গবেষণা বলছে, অন্তত পাঁচটি ম্যাচে এই সীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন, মেসির ম্যাজিকেই ৫ গোলের থ্রিলারে উড়ল মায়ামি
২০২৬ বিশ্বকাপে ১৬টি স্টেডিয়ামে আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে অতিরিক্ত গরমের ঝুঁকি বিবেচনায় ফিফা প্রতি অর্ধে বাধ্যতামূলক ‘কুলিং ব্রেক’ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, বিশেষ করে ডালাস, হিউস্টন ও আটলান্টার মতো ভেন্যুতে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। কিছু স্টেডিয়ামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকলেও অনেক মাঠে তা নেই, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।
আরও পড়ুন, বিশ্বকাপের আগে তিন প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে মরক্কো, নতুন কোচ ওয়াহবিকে সময় দিচ্ছে ফেডারেশন
জলবায়ুবিজ্ঞানী ফ্রেইডেরিকে ওট্টো বলেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো বড় আসরও যদি বাতিল পর্যায়ের গরমের ঝুঁকিতে পড়ে, তবে এটি ফিফার জন্য বড় সতর্কবার্তা। তিনি আরও জানান, খেলোয়াড়দের পাশাপাশি দর্শকরাও স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে থাকবেন, বিশেষ করে যারা খোলা জায়গায় দীর্ঘ সময় অবস্থান করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন কেবল পরিবেশগত বিষয় নয়, বরং বিশ্ব ক্রীড়ার ভবিষ্যৎ আয়োজনের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন