যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গোগা ইউনিয়নের পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাসা—শিক্ষাগত সাফল্যে এগিয়ে থাকলেও অবকাঠামোগত দিক থেকে চরম অবহেলার শিকার।১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং পরবর্তীতে এমপিওভুক্ত এই মাদ্রাসায় বর্তমানে ইবতেদায়ি থেকে দাখিল পর্যন্ত ৫৯২ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিবছর দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ পাসের গৌরবও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।তবে এই সাফল্যের বিপরীতে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। গত চার দশকেও মাদ্রাসাটির জন্য নির্মিত হয়নি কোনো পাকা ভবন। জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান কার্যক্রম।বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, ফলে ভিজে যায় বই-খাতা। আবার গরমে টিনের ভেতরে তাপমাত্রা এত বেড়ে যায় যে ক্লাস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন , ফতুল্লায় র্যাবের অভিযানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে লুট হওয়া শটগানসহ যুবক গ্রেফতার
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, আকাশে মেঘ দেখলেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বাধ্য হয়ে ছুটি ঘোষণা করতে হয়।শিক্ষার্থীরাও জানায়, বর্ষাকালে ভিজে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই নিয়মিত স্কুলে আসতে পারে না। তারা দ্রুত একটি বহুতল ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট জানান, এখানে পাকা শ্রেণিকক্ষ নেই, শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গাও নেই। একটি ছোট কক্ষে ১৯ জন কর্মচারীকে কাজ করতে হয়।অবকাঠামোর পাশাপাশি জনবল সংকটও রয়েছে। অনুমোদিত ২৬ জনের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন ১৯ জন।স্থানীয়রা বলছেন, শিক্ষার মান ভালো হলেও অবকাঠামোর কারণে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। তারা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
বিষয় : মাদ্রাসা টিনশেডে অবকাঠামোগত

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গোগা ইউনিয়নের পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাসা—শিক্ষাগত সাফল্যে এগিয়ে থাকলেও অবকাঠামোগত দিক থেকে চরম অবহেলার শিকার।১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং পরবর্তীতে এমপিওভুক্ত এই মাদ্রাসায় বর্তমানে ইবতেদায়ি থেকে দাখিল পর্যন্ত ৫৯২ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিবছর দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ পাসের গৌরবও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।তবে এই সাফল্যের বিপরীতে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। গত চার দশকেও মাদ্রাসাটির জন্য নির্মিত হয়নি কোনো পাকা ভবন। জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান কার্যক্রম।বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, ফলে ভিজে যায় বই-খাতা। আবার গরমে টিনের ভেতরে তাপমাত্রা এত বেড়ে যায় যে ক্লাস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন , ফতুল্লায় র্যাবের অভিযানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে লুট হওয়া শটগানসহ যুবক গ্রেফতার
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, আকাশে মেঘ দেখলেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বাধ্য হয়ে ছুটি ঘোষণা করতে হয়।শিক্ষার্থীরাও জানায়, বর্ষাকালে ভিজে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই নিয়মিত স্কুলে আসতে পারে না। তারা দ্রুত একটি বহুতল ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট জানান, এখানে পাকা শ্রেণিকক্ষ নেই, শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গাও নেই। একটি ছোট কক্ষে ১৯ জন কর্মচারীকে কাজ করতে হয়।অবকাঠামোর পাশাপাশি জনবল সংকটও রয়েছে। অনুমোদিত ২৬ জনের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন ১৯ জন।স্থানীয়রা বলছেন, শিক্ষার মান ভালো হলেও অবকাঠামোর কারণে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। তারা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন