কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক, শিক্ষানুরাগী ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব শাফি উদ্দিন (৯৩) আর নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার ভোরে নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে কটিয়াদীসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।শাফি উদ্দিন ১৯৬১ সালে কটিয়াদী পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও ফলাফলের দিক থেকে বিশেষ সুনাম অর্জন করে। একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও শিক্ষানুরাগী শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষার্থী,
আরও পড়ুন . পাঁচবিবিতে কৃষি অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
সহকর্মী ও অভিভাবকদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত। ২০০২ সালে তিনি শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চরপুক্ষিয়া গ্রামে নিজ বাড়িসংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।তাঁর মৃত্যুতে কটিয়াদী পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।স্থানীয়রা জানান, শাফি উদ্দিন ছিলেন শুধু একজন শিক্ষক নন, তিনি ছিলেন একজন আলোকবর্তিকা—যার আলোয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম পথ দেখেছে। তাঁর আদর্শ, সততা ও অবদান কটিয়াদীর শিক্ষাঙ্গনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আরও পড়ুন , মেহেরপুরে স্ত্রীর সামনে রিকশাচালককে কুপিয়ে হত্যা, খালাতো ভাই পলাতক
বিষয় : শিক্ষক শিক্ষাঙ্গন আলোকবর্তিকার

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক, শিক্ষানুরাগী ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব শাফি উদ্দিন (৯৩) আর নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার ভোরে নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে কটিয়াদীসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।শাফি উদ্দিন ১৯৬১ সালে কটিয়াদী পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও ফলাফলের দিক থেকে বিশেষ সুনাম অর্জন করে। একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও শিক্ষানুরাগী শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষার্থী,
আরও পড়ুন . পাঁচবিবিতে কৃষি অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
সহকর্মী ও অভিভাবকদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত। ২০০২ সালে তিনি শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চরপুক্ষিয়া গ্রামে নিজ বাড়িসংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।তাঁর মৃত্যুতে কটিয়াদী পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।স্থানীয়রা জানান, শাফি উদ্দিন ছিলেন শুধু একজন শিক্ষক নন, তিনি ছিলেন একজন আলোকবর্তিকা—যার আলোয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম পথ দেখেছে। তাঁর আদর্শ, সততা ও অবদান কটিয়াদীর শিক্ষাঙ্গনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আরও পড়ুন , মেহেরপুরে স্ত্রীর সামনে রিকশাচালককে কুপিয়ে হত্যা, খালাতো ভাই পলাতক

আপনার মতামত লিখুন