যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে মার্কিন সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।তিনি বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিকে, নিহত আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আর ও পড়ুন , ফ্লোরিডায় হত্যার শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
এর আগে সোমবার সকালে জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি জামালপুরে নেওয়া হবে।গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন।পরে ২৪ এপ্রিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং পরবর্তীতে ফরেনসিক পরীক্ষার পর ৩০ এপ্রিল বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত করা হয়।ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, লিমনকে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে হত্যা করা হয়।
বিষয় : বিচার আশ্বাস শিক্ষার্থী হত্যা

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে মার্কিন সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।তিনি বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিকে, নিহত আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আর ও পড়ুন , ফ্লোরিডায় হত্যার শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
এর আগে সোমবার সকালে জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি জামালপুরে নেওয়া হবে।গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন।পরে ২৪ এপ্রিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং পরবর্তীতে ফরেনসিক পরীক্ষার পর ৩০ এপ্রিল বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত করা হয়।ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, লিমনকে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে হত্যা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন