দুই মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে জেলেরা নামলেও এবার দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের। দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য অবতরণকেন্দ্রচাঁদপুর বড় স্টেশন মৎস্য আড়ত
ঘাটে এখন কার্যত ইলিশশূন্যতার চিত্র দেখা গেছে।গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে নদীতে মাছ ধরতে নামেন জেলেরা। তবে বৈরী আবহাওয়া ও অনুকূল পরিস্থিতির অভাবে অধিকাংশ নৌকাই খালি হাতে ফিরছে।আজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকটি জেলেনৌকা নদী
থেকে ঘাটে ফিরলেও অধিকাংশই কোনো মাছ না পেয়েই ফিরে এসেছে। ফলে ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিক ও আড়তদারদের মাঝে নেমে এসেছে হতাশা।মাছঘাটের শ্রমিকরা জানান, নদীতে মাছের পরিমাণ খুবই কম। ফলে কাজ না থাকায় তারা অলস সময় পার করছেন এবং অপেক্ষায় আছেন কখন ঘাটে মাছ আসবে।স্থানীয় মৎস্য বিক্রেতা আলাউদ্দিন জানান, সাধারণত এই সময়ে ঘাট ইলিশে ভরপুর থাকলেও এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো। হাতে গোনা কয়েকটি ইলিশ ছাড়া আড়তে তেমন কোনো মাছই ওঠেনি।বর্তমানে
আরো পড়ুন , মে দিবস হচ্ছে শোষণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক: সৈয়দ আমিরুজ্জামান
বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ টাকায়। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি প্রায় ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।আড়তদারদের মতে, দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও নদীতে এখনো মাছের স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরেনি। আবহাওয়াও অনুকূলে না থাকায় অনেক জেলে এখনো নদীতে নামেননি।চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু হলেও আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক কারণে মাছের সরবরাহ কমে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, নদীতে মাছের এই অপ্রতুলতা সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে, যা বাজারে ইলিশের দামে চাপ তৈরি করতে পারে।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
দুই মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে জেলেরা নামলেও এবার দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের। দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য অবতরণকেন্দ্রচাঁদপুর বড় স্টেশন মৎস্য আড়ত
ঘাটে এখন কার্যত ইলিশশূন্যতার চিত্র দেখা গেছে।গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে নদীতে মাছ ধরতে নামেন জেলেরা। তবে বৈরী আবহাওয়া ও অনুকূল পরিস্থিতির অভাবে অধিকাংশ নৌকাই খালি হাতে ফিরছে।আজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকটি জেলেনৌকা নদী
থেকে ঘাটে ফিরলেও অধিকাংশই কোনো মাছ না পেয়েই ফিরে এসেছে। ফলে ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিক ও আড়তদারদের মাঝে নেমে এসেছে হতাশা।মাছঘাটের শ্রমিকরা জানান, নদীতে মাছের পরিমাণ খুবই কম। ফলে কাজ না থাকায় তারা অলস সময় পার করছেন এবং অপেক্ষায় আছেন কখন ঘাটে মাছ আসবে।স্থানীয় মৎস্য বিক্রেতা আলাউদ্দিন জানান, সাধারণত এই সময়ে ঘাট ইলিশে ভরপুর থাকলেও এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো। হাতে গোনা কয়েকটি ইলিশ ছাড়া আড়তে তেমন কোনো মাছই ওঠেনি।বর্তমানে
আরো পড়ুন , মে দিবস হচ্ছে শোষণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক: সৈয়দ আমিরুজ্জামান
বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ টাকায়। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি প্রায় ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।আড়তদারদের মতে, দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও নদীতে এখনো মাছের স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরেনি। আবহাওয়াও অনুকূলে না থাকায় অনেক জেলে এখনো নদীতে নামেননি।চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু হলেও আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক কারণে মাছের সরবরাহ কমে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, নদীতে মাছের এই অপ্রতুলতা সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে, যা বাজারে ইলিশের দামে চাপ তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন