জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের আওতায় কোটি কোটি মানুষকে অর্থ সহায়তা দেওয়া হলেও এতে বাজেট বা মূল্যস্ফীতির ওপর কোনো চাপ পড়বে না।বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রায় পৌনে তিন কোটি কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হচ্ছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এ নিয়ে ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে জানতে চান, এতে অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হবে কি না এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা আছে কি না।জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনোভাবেই টাকা ছাপিয়ে এই সহায়তা দেবে না। বরং বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ভেতরে সমন্বয় করে ব্যয় ব্যবস্থাপনা করা হবে।
আরো পড়ুন, উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্য, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
তিনি আরও জানান, বর্তমানে অনেক ব্যক্তি একাধিক সামাজিক সুবিধা পাচ্ছেন—সেগুলো পুনর্বিন্যাস করে প্রকৃত দরিদ্রদের কাছে সহায়তা পৌঁছানো হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অর্থ সরাসরি গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রবাহিত হবে। দরিদ্র মানুষ এই অর্থ দিয়ে পোশাক, খাদ্য ও শিক্ষাসামগ্রী কিনবে, যা দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।সরকারের হিসাবে, এই কর্মসূচি মূল্যস্ফীতি বাড়াবে না, বরং স্থানীয় উৎপাদন বাড়িয়ে তা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।উল্লেখ্য, ফ্যামিলি কার্ড বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে চালু হয়েছে। পাইলট প্রকল্পে ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা পাচ্ছে।
বিষয় : ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের আওতায় কোটি কোটি মানুষকে অর্থ সহায়তা দেওয়া হলেও এতে বাজেট বা মূল্যস্ফীতির ওপর কোনো চাপ পড়বে না।বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রায় পৌনে তিন কোটি কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হচ্ছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এ নিয়ে ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে জানতে চান, এতে অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হবে কি না এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা আছে কি না।জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনোভাবেই টাকা ছাপিয়ে এই সহায়তা দেবে না। বরং বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ভেতরে সমন্বয় করে ব্যয় ব্যবস্থাপনা করা হবে।
আরো পড়ুন, উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্য, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
তিনি আরও জানান, বর্তমানে অনেক ব্যক্তি একাধিক সামাজিক সুবিধা পাচ্ছেন—সেগুলো পুনর্বিন্যাস করে প্রকৃত দরিদ্রদের কাছে সহায়তা পৌঁছানো হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অর্থ সরাসরি গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রবাহিত হবে। দরিদ্র মানুষ এই অর্থ দিয়ে পোশাক, খাদ্য ও শিক্ষাসামগ্রী কিনবে, যা দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।সরকারের হিসাবে, এই কর্মসূচি মূল্যস্ফীতি বাড়াবে না, বরং স্থানীয় উৎপাদন বাড়িয়ে তা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।উল্লেখ্য, ফ্যামিলি কার্ড বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে চালু হয়েছে। পাইলট প্রকল্পে ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন