রাজধানীর একাধিক ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে মগবাজার, মালিবাগ, মুগদা, কারওয়ান বাজার এবং কড়াইল বস্তি এলাকায় মাদক ব্যবসা অনেকটা প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।মালিবাগ আবুল হোটেল সংলগ্ন ফ্লাইওভারের নিচে সন্ধ্যা নামলেই শুরু হয় মাদক সেবন ও বিক্রির আসর। কাঁথা ও পলিথিন দিয়ে অস্থায়ী বেষ্টনী তৈরি করে প্রকাশ্যেই চলছে এসব কার্যক্রম।মগবাজার ও মধুবাগ এলাকার গলিগুলোতেও একই চিত্র। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রিকশা গ্যারেজ—সব জায়গাতেই মিলছে মাদক। স্থানীয়দের ভাষায়, এখানে “মুদির দোকানের মতোই” মাদক বিক্রি হচ্ছে।এক শিক্ষক জানান, মগবাজারের অলিগলিতে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় হেরোইন, গাঁজা ও ইয়াবা। এতে কিশোর ও তরুণরা মাদকাসক্ত হয়ে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।
আরো পড়ুন , রূপপুরে ইউরেনিয়াম লোডিং শুরু, পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রবেশ
কারওয়ান বাজার রেললাইনসংলগ্ন বস্তিকে দীর্ঘদিন ধরেই মাদকের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। ট্রেনের শব্দ ও ভিড়কে কাজে লাগিয়ে এখানে চলে হেরোইন ও ফেনসিডিলের বাণিজ্য।এদিকে মুগদা ও মালিবাগ এলাকায় নতুন করে আইস বা ক্রিস্টাল মেথের বিস্তার ঘটছে, যা তরুণদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ।অন্যদিকে কড়াইল বস্তি এলাকায় মাদক সিন্ডিকেট আরও সংগঠিত বলে দাবি স্থানীয়দের। বনানী লেকের পাশ দিয়ে প্রবেশপথেই প্রকাশ্য ইয়াবা ও গাঁজার কেনাবেচা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বস্তি এলাকায় শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তার অভাব মাদক বিস্তারের প্রধান কারণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষক জানান, বিচারহীনতা ও দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অপরাধকে আরও উৎসাহিত করছে।অন্যদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিয়মিত অভিযান চলছে এবং এসব এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর একাধিক ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে মগবাজার, মালিবাগ, মুগদা, কারওয়ান বাজার এবং কড়াইল বস্তি এলাকায় মাদক ব্যবসা অনেকটা প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।মালিবাগ আবুল হোটেল সংলগ্ন ফ্লাইওভারের নিচে সন্ধ্যা নামলেই শুরু হয় মাদক সেবন ও বিক্রির আসর। কাঁথা ও পলিথিন দিয়ে অস্থায়ী বেষ্টনী তৈরি করে প্রকাশ্যেই চলছে এসব কার্যক্রম।মগবাজার ও মধুবাগ এলাকার গলিগুলোতেও একই চিত্র। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রিকশা গ্যারেজ—সব জায়গাতেই মিলছে মাদক। স্থানীয়দের ভাষায়, এখানে “মুদির দোকানের মতোই” মাদক বিক্রি হচ্ছে।এক শিক্ষক জানান, মগবাজারের অলিগলিতে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় হেরোইন, গাঁজা ও ইয়াবা। এতে কিশোর ও তরুণরা মাদকাসক্ত হয়ে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।
আরো পড়ুন , রূপপুরে ইউরেনিয়াম লোডিং শুরু, পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রবেশ
কারওয়ান বাজার রেললাইনসংলগ্ন বস্তিকে দীর্ঘদিন ধরেই মাদকের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। ট্রেনের শব্দ ও ভিড়কে কাজে লাগিয়ে এখানে চলে হেরোইন ও ফেনসিডিলের বাণিজ্য।এদিকে মুগদা ও মালিবাগ এলাকায় নতুন করে আইস বা ক্রিস্টাল মেথের বিস্তার ঘটছে, যা তরুণদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ।অন্যদিকে কড়াইল বস্তি এলাকায় মাদক সিন্ডিকেট আরও সংগঠিত বলে দাবি স্থানীয়দের। বনানী লেকের পাশ দিয়ে প্রবেশপথেই প্রকাশ্য ইয়াবা ও গাঁজার কেনাবেচা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বস্তি এলাকায় শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তার অভাব মাদক বিস্তারের প্রধান কারণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষক জানান, বিচারহীনতা ও দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অপরাধকে আরও উৎসাহিত করছে।অন্যদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিয়মিত অভিযান চলছে এবং এসব এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন