জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও দেরিতে উপস্থিত হওয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ হতে পারে না।সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ-এর অধিবেশন চলাকালে স্পিকার বলেন, সংসদ সদস্যরা যখন তাদের নিজ নিজ এলাকার সমস্যা ও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন, তখন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থেকে তা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নোট নেওয়া উচিত।
আরও পড়ুন, মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত ফ্রি শিক্ষার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
অধিবেশনের শুরু থেকেই কিছুটা ছন্দপতন লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা দেরিতে আসায় গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ নিষ্পত্তিতে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার জন্য একাধিক সংসদ সদস্যের নাম ঘোষণা করা হলেও বক্তা উপস্থিত না থাকায় বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি-কে উদ্দেশ করে স্পিকার বলেন, তালিকায় নাম থাকলেও অনেক সময় বক্তা পাওয়া যাচ্ছে না, যা সংসদের কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। তিনি সামনের সারিতে খুব কমসংখ্যক মন্ত্রী উপস্থিত থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বলেন, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উপস্থিতি বিশেষভাবে জরুরি।
আরও পড়ুন, ইভিএম প্রকল্পে দুর্নীতি অনুসন্ধান করছে দুদক : মির্জা ফখরুল
জবাবে চিফ হুইপ জানান, অনেক মন্ত্রী বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে থাকায় উপস্থিতি কম। তবে তিনি দাবি করেন, সংসদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারিতে বেশ কিছু মন্ত্রী উপস্থিত আছেন এবং সংসদ সদস্যদের বক্তব্য রেকর্ড করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে স্পিকার আবারও জোর দিয়ে বলেন, জনগণের সমস্যা নিয়ে সংসদে যে আলোচনা হয়, তার গুরুত্ব বিবেচনায় মন্ত্রীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। তার এই বক্তব্যে বিরোধী দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন জানান।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও দেরিতে উপস্থিত হওয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ হতে পারে না।সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ-এর অধিবেশন চলাকালে স্পিকার বলেন, সংসদ সদস্যরা যখন তাদের নিজ নিজ এলাকার সমস্যা ও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন, তখন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থেকে তা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নোট নেওয়া উচিত।
আরও পড়ুন, মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত ফ্রি শিক্ষার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
অধিবেশনের শুরু থেকেই কিছুটা ছন্দপতন লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা দেরিতে আসায় গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ নিষ্পত্তিতে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার জন্য একাধিক সংসদ সদস্যের নাম ঘোষণা করা হলেও বক্তা উপস্থিত না থাকায় বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি-কে উদ্দেশ করে স্পিকার বলেন, তালিকায় নাম থাকলেও অনেক সময় বক্তা পাওয়া যাচ্ছে না, যা সংসদের কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। তিনি সামনের সারিতে খুব কমসংখ্যক মন্ত্রী উপস্থিত থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বলেন, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উপস্থিতি বিশেষভাবে জরুরি।
আরও পড়ুন, ইভিএম প্রকল্পে দুর্নীতি অনুসন্ধান করছে দুদক : মির্জা ফখরুল
জবাবে চিফ হুইপ জানান, অনেক মন্ত্রী বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে থাকায় উপস্থিতি কম। তবে তিনি দাবি করেন, সংসদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারিতে বেশ কিছু মন্ত্রী উপস্থিত আছেন এবং সংসদ সদস্যদের বক্তব্য রেকর্ড করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে স্পিকার আবারও জোর দিয়ে বলেন, জনগণের সমস্যা নিয়ে সংসদে যে আলোচনা হয়, তার গুরুত্ব বিবেচনায় মন্ত্রীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। তার এই বক্তব্যে বিরোধী দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন জানান।

আপনার মতামত লিখুন