নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহ অপরাধে প্রাণ গেছে ১১ বছরের শিশু হোসাইনের।পুলিশ জানিয়েছে, খুন করলে জেলে যেতে হয়—এই কৌতূহল থেকেই কয়েকজন কিশোর পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।সোমবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি তুলে ধরেন মিজানুর রহমান মুন্সি।তিনি জানান, গত ২৪ এপ্রিল ফতুল্লার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে অজ্ঞাত এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পরে স্বজনরা এসে লাশটি শনাক্ত করেন। নিহত হোসাইন তার বাবার সঙ্গে ফুল বিক্রি করত এবং ১৮ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিল।তদন্তে জানা যায়, কয়েকজন কিশোর নিয়মিত ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে মাদক সেবন করত।ঘটনার দিন তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছুরি-চাকু নিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়।
আরো পড়ুন , মিরপুরে হত্যা মামলায় সাবেক ডিজিএফআই প্রধান শেখ মামুন খালেদ ৩ দিনের রিমান্ডে
পরে হোসাইনকে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে নিয়ে গিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে ইয়াসিনকে গ্রেফতার করে।তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ছয়জনের মধ্যে চারজন এজাহারভুক্ত এবং দুইজন তদন্তে শনাক্ত।এদের মধ্যে একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছে।হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজন এখনো পলাতক রয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।
বিষয় : অভিজ্ঞতা কিশোর গ্যাং শিশু হত্যা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহ অপরাধে প্রাণ গেছে ১১ বছরের শিশু হোসাইনের।পুলিশ জানিয়েছে, খুন করলে জেলে যেতে হয়—এই কৌতূহল থেকেই কয়েকজন কিশোর পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।সোমবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি তুলে ধরেন মিজানুর রহমান মুন্সি।তিনি জানান, গত ২৪ এপ্রিল ফতুল্লার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে অজ্ঞাত এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পরে স্বজনরা এসে লাশটি শনাক্ত করেন। নিহত হোসাইন তার বাবার সঙ্গে ফুল বিক্রি করত এবং ১৮ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিল।তদন্তে জানা যায়, কয়েকজন কিশোর নিয়মিত ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে মাদক সেবন করত।ঘটনার দিন তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছুরি-চাকু নিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়।
আরো পড়ুন , মিরপুরে হত্যা মামলায় সাবেক ডিজিএফআই প্রধান শেখ মামুন খালেদ ৩ দিনের রিমান্ডে
পরে হোসাইনকে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে নিয়ে গিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে ইয়াসিনকে গ্রেফতার করে।তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ছয়জনের মধ্যে চারজন এজাহারভুক্ত এবং দুইজন তদন্তে শনাক্ত।এদের মধ্যে একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছে।হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজন এখনো পলাতক রয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন