সৌদি আরবের মরুপ্রান্তরে কাজ করতে করতেই একদিন স্বপ্ন দেখেছিলেন আঙুর চাষের। তিন দশক পর সেই স্বপ্ন এখন বাস্তব, ঠাকুরগাঁও-এর পীরগঞ্জ উপজেলা-এ গড়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী আঙুর বাগান।প্রবাসফেরত কৃষক আবুল কালাম আজাদের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ কৃষির চিত্র।১৯৯৩ সালে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরব পাড়ি জমান আবুল কালাম আজাদ। সেখানে আঙুর বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশে ফিরে শুরু করেন ভিন্নধর্মী কৃষি উদ্যোগ।শুরুতে মাত্র ৫ বিঘা জমি থাকলেও বর্তমানে তার খামারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫ বিঘায়। নিজস্ব উদ্ভাবনী চিন্তা ও পরিকল্পনায় গড়ে তুলেছেন আধুনিক আঙুর বাগান।
আরো পড়ুন , কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
প্রায় ৮ লাখ টাকা বিনিয়োগে তৈরি এই বাগানে রয়েছে ২২টি জাতের প্রায় ১২০০ আঙুর গাছ—যার মধ্যে বাইকোনুর, সিলভা, অ্যাপোলো ও ডিক্সন উল্লেখযোগ্য।তার প্রত্যাশা, প্রতিটি গাছ থেকে ৫ থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত ফলন মিলবে। জুনের শেষে ফল সংগ্রহ শুরু হলে এক মৌসুমেই ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা আয় হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।শুধু আঙুরই নয়, তার খামারে রয়েছে সুপারি, ড্রাগন, আনারস, নাশপাতি, লটকনসহ নানা ফল। পাশাপাশি মাছ চাষ ও গবাদিপশু পালনের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কৃষি মডেল।কৃষক আজাদ বলছেন, ফসলের বহুমুখীকরণই গ্রামীণ অর্থনীতিকে টেকসই করতে পারে। প্রথাগত চাষের বাইরে এসে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।
বিষয় : কৃষক ব্যতিক্রমী আঙুর বাগান

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
সৌদি আরবের মরুপ্রান্তরে কাজ করতে করতেই একদিন স্বপ্ন দেখেছিলেন আঙুর চাষের। তিন দশক পর সেই স্বপ্ন এখন বাস্তব, ঠাকুরগাঁও-এর পীরগঞ্জ উপজেলা-এ গড়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী আঙুর বাগান।প্রবাসফেরত কৃষক আবুল কালাম আজাদের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ কৃষির চিত্র।১৯৯৩ সালে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরব পাড়ি জমান আবুল কালাম আজাদ। সেখানে আঙুর বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশে ফিরে শুরু করেন ভিন্নধর্মী কৃষি উদ্যোগ।শুরুতে মাত্র ৫ বিঘা জমি থাকলেও বর্তমানে তার খামারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫ বিঘায়। নিজস্ব উদ্ভাবনী চিন্তা ও পরিকল্পনায় গড়ে তুলেছেন আধুনিক আঙুর বাগান।
আরো পড়ুন , কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
প্রায় ৮ লাখ টাকা বিনিয়োগে তৈরি এই বাগানে রয়েছে ২২টি জাতের প্রায় ১২০০ আঙুর গাছ—যার মধ্যে বাইকোনুর, সিলভা, অ্যাপোলো ও ডিক্সন উল্লেখযোগ্য।তার প্রত্যাশা, প্রতিটি গাছ থেকে ৫ থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত ফলন মিলবে। জুনের শেষে ফল সংগ্রহ শুরু হলে এক মৌসুমেই ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা আয় হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।শুধু আঙুরই নয়, তার খামারে রয়েছে সুপারি, ড্রাগন, আনারস, নাশপাতি, লটকনসহ নানা ফল। পাশাপাশি মাছ চাষ ও গবাদিপশু পালনের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কৃষি মডেল।কৃষক আজাদ বলছেন, ফসলের বহুমুখীকরণই গ্রামীণ অর্থনীতিকে টেকসই করতে পারে। প্রথাগত চাষের বাইরে এসে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন