খুলনায় রেলওয়ে পুলিশ লাইন্সে দায়িত্ব পালনকালে এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।নিহত কনস্টেবল সম্রাট বিশ্বাস গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে ম্যাগজিন গার্ডে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আরো পড়ুন , কুষ্টিয়ায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার, পুলিশের মধ্যস্থতায় চালু হলো বাস চলাচল
খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানান, গত বছরের ৩ নভেম্বর সম্রাট বিশ্বাস এখানে যোগদান করেন। তিনি দায়িত্ব পালনেও নিয়মিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।তিনি আরও জানান, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত তার ডিউটি ছিল এবং সেই সময়ের মধ্যেই এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
খুলনায় রেলওয়ে পুলিশ লাইন্সে দায়িত্ব পালনকালে এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।নিহত কনস্টেবল সম্রাট বিশ্বাস গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে ম্যাগজিন গার্ডে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আরো পড়ুন , কুষ্টিয়ায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার, পুলিশের মধ্যস্থতায় চালু হলো বাস চলাচল
খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানান, গত বছরের ৩ নভেম্বর সম্রাট বিশ্বাস এখানে যোগদান করেন। তিনি দায়িত্ব পালনেও নিয়মিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।তিনি আরও জানান, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত তার ডিউটি ছিল এবং সেই সময়ের মধ্যেই এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন