নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর গার্মেন্টকর্মী হত্যা মামলার প্রধান আসামি পারভেজ ওরফে কালু, বয়স ২২, কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।র্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. নাঈম উল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।র্যাব জানায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডে নিহতের ভাই বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত পারভেজ এই মামলার প্রধান আসামি। তাকে ইতোমধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।নিহত বিপ্লব শেখ, বয়স ২৬, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার রনছ এলাকার বাসিন্দা।
আরো পড়ুন , গঙ্গাচড়ায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন, উপস্থিতি ৭৪%
তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের মিতালী মার্কেটের একটি মিনি গার্মেন্টসে সেলাইকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।গত ৯ এপ্রিল সকালে তার মৃত্যুকে প্রথমে ‘স্ট্রোক’ বলে দাবি করা হয়। কারখানা থেকে ফোন করে তার পরিবারকে এ তথ্য জানানো হয়।তবে মরদেহ গোসল করানোর সময় শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা ও রক্তাক্ত চিহ্ন দেখতে পেয়ে পরিবারের সন্দেহ তৈরি হয়। পরে বিষয়টি থানায় জানানো হলে দুই থানার সমন্বয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।এই ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং অবশেষে মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিষয় : গ্রেফতার আসামি হত্যা মামলা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর গার্মেন্টকর্মী হত্যা মামলার প্রধান আসামি পারভেজ ওরফে কালু, বয়স ২২, কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।র্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. নাঈম উল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।র্যাব জানায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডে নিহতের ভাই বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত পারভেজ এই মামলার প্রধান আসামি। তাকে ইতোমধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।নিহত বিপ্লব শেখ, বয়স ২৬, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার রনছ এলাকার বাসিন্দা।
আরো পড়ুন , গঙ্গাচড়ায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন, উপস্থিতি ৭৪%
তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের মিতালী মার্কেটের একটি মিনি গার্মেন্টসে সেলাইকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।গত ৯ এপ্রিল সকালে তার মৃত্যুকে প্রথমে ‘স্ট্রোক’ বলে দাবি করা হয়। কারখানা থেকে ফোন করে তার পরিবারকে এ তথ্য জানানো হয়।তবে মরদেহ গোসল করানোর সময় শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা ও রক্তাক্ত চিহ্ন দেখতে পেয়ে পরিবারের সন্দেহ তৈরি হয়। পরে বিষয়টি থানায় জানানো হলে দুই থানার সমন্বয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।এই ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং অবশেষে মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন