পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গামী এক শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে আটক করে পুলিশ হেফাজতে দিয়েছে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। গতকাল বুধবার (৮ই এপ্রিল) দুপুর দেড় ঘটিকায় উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের ঢুলটি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থী সিনথিয়া (৯) উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বাঘহাছলা এলাকার আফজাল হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় দুবলাচাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত মো: আলামিন (৩৪) নাটোর জেলার লালপুর থানাধীন সাদিপুর এলাকার আব্দুল মজিদ এর ছেলে। আলামিন ঈশ্বরদীস্থ বিএনপির একজন রাজনৈতিক দলের বড় মাপের নেতার খুব নিকট আত্মীয় বলেও জানা গেছে।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষনের ঘটনায় পলাতক নয়ন আটক
ভুক্তভোগী সিনথিয়া বলেন, আমি বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যালয়ের অদূরে রাস্তায় আমাকে এই লোকটা আটকায়। এসময় আমাকে আদর করে মাঠের দিকে যেতে বললে আমি দৌঁড়ে পালিয়ে বিদ্যালয়ে চলে যায়। এবং আমি আমার ম্যাডামকে বিষয়টি খুলে বলি। আমার কথা শুনে ম্যাডাম আমাকে নিয়ে দৌঁড়ে রাস্তায় এসে দেখেন উনি উল্টোদিকে চলে যাচ্ছেন। সে সময় আমার চাচাতো ভাই ঐ রাস্তা দিয়ে আসতে থাকলে আমার কান্না দেখে সে থেমে যায় এবং আমরা তাকে বিস্তারিত ঘটনা বলি। সব কথা শুনে তিনি ঐ লোকটাকে ধাওয়া দেয়। এর আগে আরও ২ বার এই লোকটা আমাকে কোথায় যেন নিতে চেয়েছে বলেও সিনথিয়া অভিযোগ করেন। সিনথিয়ার দাদা বাদশা বলেন, আমার নাতনিকে অপহরণের চেষ্টা করে এই লোকটা এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়েছে। ওকে আমাদের হাতে ছেড়ে দেন। ওর বিচার আমরাই করব।
আরও পড়ুন, পলাশবাড়ী সূতি মাহমুদ মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায়-নবীন বরণ ও দো’আ অনুষ্ঠিত
এলকাবাসী, যুব্বার, শিপন, শাকিল’রা জানান আমরা সিনথিয়াকে অপহরনের কথা শুনে এই লোকটাকে ধরতে তাকে ধাওয়া করি। সে ধাওয়া খেয়ে বাঘহাছলা থেকে অরণকোলা হয়ে ঢুলটি এলাকায় পৌঁছালে আমরা তাকে ধরতে সক্ষম হই। এসময় ঢুলটি তেল পাম্পে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী থানাতে নিয়ে যায়। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আশাদুর রহমান দৈনিক সংবাদ দিগন্তকে বলেন, আলামিন নামক এক যুবককে আটকের কথা শুনেছি। তবে ঠিক অপহরণের চেষ্টা কিনা সেটা এখনও নিশ্চিত নই। শিশুটির অবিভাবকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকেছি। বিস্তারিত জানার পর বলতে পারব আসল ঘটনা। তবে দোষী হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গামী এক শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে আটক করে পুলিশ হেফাজতে দিয়েছে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। গতকাল বুধবার (৮ই এপ্রিল) দুপুর দেড় ঘটিকায় উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের ঢুলটি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থী সিনথিয়া (৯) উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বাঘহাছলা এলাকার আফজাল হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় দুবলাচাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত মো: আলামিন (৩৪) নাটোর জেলার লালপুর থানাধীন সাদিপুর এলাকার আব্দুল মজিদ এর ছেলে। আলামিন ঈশ্বরদীস্থ বিএনপির একজন রাজনৈতিক দলের বড় মাপের নেতার খুব নিকট আত্মীয় বলেও জানা গেছে।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষনের ঘটনায় পলাতক নয়ন আটক
ভুক্তভোগী সিনথিয়া বলেন, আমি বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যালয়ের অদূরে রাস্তায় আমাকে এই লোকটা আটকায়। এসময় আমাকে আদর করে মাঠের দিকে যেতে বললে আমি দৌঁড়ে পালিয়ে বিদ্যালয়ে চলে যায়। এবং আমি আমার ম্যাডামকে বিষয়টি খুলে বলি। আমার কথা শুনে ম্যাডাম আমাকে নিয়ে দৌঁড়ে রাস্তায় এসে দেখেন উনি উল্টোদিকে চলে যাচ্ছেন। সে সময় আমার চাচাতো ভাই ঐ রাস্তা দিয়ে আসতে থাকলে আমার কান্না দেখে সে থেমে যায় এবং আমরা তাকে বিস্তারিত ঘটনা বলি। সব কথা শুনে তিনি ঐ লোকটাকে ধাওয়া দেয়। এর আগে আরও ২ বার এই লোকটা আমাকে কোথায় যেন নিতে চেয়েছে বলেও সিনথিয়া অভিযোগ করেন। সিনথিয়ার দাদা বাদশা বলেন, আমার নাতনিকে অপহরণের চেষ্টা করে এই লোকটা এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়েছে। ওকে আমাদের হাতে ছেড়ে দেন। ওর বিচার আমরাই করব।
আরও পড়ুন, পলাশবাড়ী সূতি মাহমুদ মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায়-নবীন বরণ ও দো’আ অনুষ্ঠিত
এলকাবাসী, যুব্বার, শিপন, শাকিল’রা জানান আমরা সিনথিয়াকে অপহরনের কথা শুনে এই লোকটাকে ধরতে তাকে ধাওয়া করি। সে ধাওয়া খেয়ে বাঘহাছলা থেকে অরণকোলা হয়ে ঢুলটি এলাকায় পৌঁছালে আমরা তাকে ধরতে সক্ষম হই। এসময় ঢুলটি তেল পাম্পে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী থানাতে নিয়ে যায়। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আশাদুর রহমান দৈনিক সংবাদ দিগন্তকে বলেন, আলামিন নামক এক যুবককে আটকের কথা শুনেছি। তবে ঠিক অপহরণের চেষ্টা কিনা সেটা এখনও নিশ্চিত নই। শিশুটির অবিভাবকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকেছি। বিস্তারিত জানার পর বলতে পারব আসল ঘটনা। তবে দোষী হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন