দেশের রাজনীতিতে বড় সিদ্ধান্ত—সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাখার বিধান বহাল রেখেছে জাতীয় সংসদ।বুধবার জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।আইন অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী
সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশ হুবহু বহাল রাখা হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকবে।তবে আলোচিত একটি বিষয়—নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন কার্যক্রম চালালে শাস্তির বিধান—চূড়ান্ত আইনে যুক্ত করা হয়নি।বিল পাসের আগে সংক্ষিপ্ত উত্তেজনা দেখা যায় সংসদে। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর
আরো পড়ুন , ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক জোরদার: নিবিড় যোগাযোগে থাকার প্রতিশ্রুতি ভারত-বাংলাদেশের
রহমান বিলটি নিয়ে সময় চাইলেও স্পিকার জানান, নির্ধারিত সময় পার হওয়ায় এ পর্যায়ে আপত্তির সুযোগ নেই।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি একটি ‘গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠনের’ বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি পদক্ষেপ এবং জনমতের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনও দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে।বিশ্লেষকদের মতে, এই আইন পাসের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বাস্তবতা তৈরি হলো, যা ভবিষ্যৎ নির্বাচন ও রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দেশের রাজনীতিতে বড় সিদ্ধান্ত—সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাখার বিধান বহাল রেখেছে জাতীয় সংসদ।বুধবার জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।আইন অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী
সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশ হুবহু বহাল রাখা হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকবে।তবে আলোচিত একটি বিষয়—নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন কার্যক্রম চালালে শাস্তির বিধান—চূড়ান্ত আইনে যুক্ত করা হয়নি।বিল পাসের আগে সংক্ষিপ্ত উত্তেজনা দেখা যায় সংসদে। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর
আরো পড়ুন , ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক জোরদার: নিবিড় যোগাযোগে থাকার প্রতিশ্রুতি ভারত-বাংলাদেশের
রহমান বিলটি নিয়ে সময় চাইলেও স্পিকার জানান, নির্ধারিত সময় পার হওয়ায় এ পর্যায়ে আপত্তির সুযোগ নেই।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি একটি ‘গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠনের’ বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি পদক্ষেপ এবং জনমতের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনও দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে।বিশ্লেষকদের মতে, এই আইন পাসের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বাস্তবতা তৈরি হলো, যা ভবিষ্যৎ নির্বাচন ও রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন