নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, ইউনূস সরকারের দায় শিক্ষার্থীরা এড়াতে পারে না। কেননা, কিছু গণমাধ্যম ও শিক্ষার্থীর আশকারায় দেশ বিক্রি করেছে ইউনূস সরকার। সেই সাথে সেনা সমর্থনকে অপব্যবহার করে শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে ছাত্রদের নিয়োগকৃত ইউনূস। তার শাসনামলে এসব কথা বারবার বললেও, বারবার রাজপথে ইউনূসের দুর্নীতির প্রতিবাদ করলেও গণমাধ্যম তাতে গুরুত্ব দেয়নি, যদি তখন এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হতো, তাহলে আর দেশের এত ক্ষতি হতো না।
ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দুর্নীতির তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবিতে তোপখানা রোডস্থ বিজয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা তার বক্তব্যে বলেন, ৩৬ জুলাইতে যারা থানা পুড়িয়ে-পুলিশ জালিয়ে-সহযোদ্ধাদেরকে বধ করেছে, ষড়যন্ত্রের রাজনীতিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়াসহ শত শত দুর্নীতির কারণে ইউনূস-শিক্ষার্থী গংদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিৎ।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ হত্যার আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা, জাতীয় শ্রমিকধারার আহবায়ক বাবুল মিয়া প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ এসময় আরো বলেন, আসিফ নজরুল, সজিব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, নাহিদ ইসলাম, আদিলুর রহমান খান, শেখ বশির, খলিলুর রহমান, সৈয়দা রেজওয়ানা, শারমিন মুর্শিদ, ফাওজুল কবির খান, মেজর জাহাঙ্গীর, কেএম খালিদসহ সকল উপদেষ্টার অপরাধ-দুর্নীতির তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনুন। তা না হলে দেশের মানুষ সরকারকে ক্ষমা করবে না।
আরও পড়ুন, পূবাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র ও পিকআপসহ ৩ জন গ্রেফতার
এসময় মোমিন মেহেদী আরো বলেন, নিকৃষ্ট দেশবিরোধী ও তাদের সমর্থকরা রাজনীতির নামে মানুষের আবেগ নিয়ে খেলে ক্ষমতায় আসার যে চেষ্টা স্বাধীনতার পর থেকে করে আসছে, তারই বহিঃপ্রকাশ ৩৬ জুলাইতে ঘটেছে। যে কারণে আজ জাতির সামনে সেই পুরোনো শকুন নোংরা রাজনৈতিক নকশা আঁকছেন। সেই নকশার সূত্রতায় দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা পরিচালিত সেই স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলো থেকে ৭৪ জন সংসদে যাওয়ারও ব্যবস্থা করেছে। শুধু কি এখানেই শেষ, সংসদে গিয়ে তারা বলছে- ‘জুলাই যেখানে সেখানে মুক্তিযুদ্ধেও ইতিহাস প্রয়োজন নেই। এমতবস্থায় আমরা দেশ বিরোধী এই দলগুলোর নিবন্ধন যেমন বাতিল চাই, ঠিক তেমনি একাত্তরে ও চব্বিশে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলবার অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও চাই।
বিষয় : মোমিন মেহেদী ইউনূস সরকার

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, ইউনূস সরকারের দায় শিক্ষার্থীরা এড়াতে পারে না। কেননা, কিছু গণমাধ্যম ও শিক্ষার্থীর আশকারায় দেশ বিক্রি করেছে ইউনূস সরকার। সেই সাথে সেনা সমর্থনকে অপব্যবহার করে শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে ছাত্রদের নিয়োগকৃত ইউনূস। তার শাসনামলে এসব কথা বারবার বললেও, বারবার রাজপথে ইউনূসের দুর্নীতির প্রতিবাদ করলেও গণমাধ্যম তাতে গুরুত্ব দেয়নি, যদি তখন এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হতো, তাহলে আর দেশের এত ক্ষতি হতো না।
ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দুর্নীতির তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবিতে তোপখানা রোডস্থ বিজয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা তার বক্তব্যে বলেন, ৩৬ জুলাইতে যারা থানা পুড়িয়ে-পুলিশ জালিয়ে-সহযোদ্ধাদেরকে বধ করেছে, ষড়যন্ত্রের রাজনীতিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়াসহ শত শত দুর্নীতির কারণে ইউনূস-শিক্ষার্থী গংদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিৎ।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ হত্যার আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা, জাতীয় শ্রমিকধারার আহবায়ক বাবুল মিয়া প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ এসময় আরো বলেন, আসিফ নজরুল, সজিব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, নাহিদ ইসলাম, আদিলুর রহমান খান, শেখ বশির, খলিলুর রহমান, সৈয়দা রেজওয়ানা, শারমিন মুর্শিদ, ফাওজুল কবির খান, মেজর জাহাঙ্গীর, কেএম খালিদসহ সকল উপদেষ্টার অপরাধ-দুর্নীতির তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনুন। তা না হলে দেশের মানুষ সরকারকে ক্ষমা করবে না।
আরও পড়ুন, পূবাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র ও পিকআপসহ ৩ জন গ্রেফতার
এসময় মোমিন মেহেদী আরো বলেন, নিকৃষ্ট দেশবিরোধী ও তাদের সমর্থকরা রাজনীতির নামে মানুষের আবেগ নিয়ে খেলে ক্ষমতায় আসার যে চেষ্টা স্বাধীনতার পর থেকে করে আসছে, তারই বহিঃপ্রকাশ ৩৬ জুলাইতে ঘটেছে। যে কারণে আজ জাতির সামনে সেই পুরোনো শকুন নোংরা রাজনৈতিক নকশা আঁকছেন। সেই নকশার সূত্রতায় দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা পরিচালিত সেই স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলো থেকে ৭৪ জন সংসদে যাওয়ারও ব্যবস্থা করেছে। শুধু কি এখানেই শেষ, সংসদে গিয়ে তারা বলছে- ‘জুলাই যেখানে সেখানে মুক্তিযুদ্ধেও ইতিহাস প্রয়োজন নেই। এমতবস্থায় আমরা দেশ বিরোধী এই দলগুলোর নিবন্ধন যেমন বাতিল চাই, ঠিক তেমনি একাত্তরে ও চব্বিশে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলবার অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও চাই।

আপনার মতামত লিখুন