দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

সংসদে জরুরি আলোচনার নতুন হাতিয়ার মুলতবি প্রস্তাব

সংসদে জরুরি আলোচনার নতুন হাতিয়ার মুলতবি প্রস্তাব
তীয় সংসদে দীর্ঘদিন পর ফেরানো হয়েছে প্রায় বিস্মৃত এক সংসদীয় প্রক্রিয়া—মুলতবি প্রস্তাব

জাতীয় সংসদে দীর্ঘদিন পর ফেরানো হয়েছে প্রায় বিস্মৃত এক সংসদীয় প্রক্রিয়া—মুলতবি প্রস্তাব। তিন দশকের বেশি সময় পর এই প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও সংসদীয় আলোচনার স্রোত বইছে।সম্প্রতি বিরোধীদলীয় নেতা ডা শফিকুর রহমান ‘জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তা আলোচনার জন্য গ্রহণ করেন। ফলে ৩১ মার্চ মঙ্গলবার স্বাভাবিক কার্যসূচি স্থগিত রেখে জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত হয় এক জমজমাট বিতর্ক।মুলতবি প্রস্তাব হলো এমন একটি সংসদীয় প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জরুরি ও জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। প্রস্তাব গৃহীত হলে চলমান সব কার্যক্রম স্থগিত হয় এবং নির্দিষ্ট বিষয়েই মনোনিবেশ করে আলোচনা হয়।


আরো পড়ুন, দেশের নয় জেলায় ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগের ঝড়ের সতর্কতা


 একজন সংসদ সদস্যকে অন্তত দুই ঘণ্টা আগে নোটিশ দিতে হয়, এরপর স্পিকার সিদ্ধান্ত দেন প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে কি না।এই প্রক্রিয়াকে সংসদের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ধরা হয়। প্রস্তাব গৃহীত হলে নির্দিষ্ট সময় ধরে আলোচনা হয় এবং প্রয়োজনে ভোটাভুটিও অনুষ্ঠিত হতে পারে। ভোটাভুটি না হলেও খোলামেলা বিতর্ক সরকারের ওপর চাপ তৈরি করে, জনমতকে সক্রিয় রাখে এবং রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিতে সরকারকে বাধ্য করে।মুলতবি প্রস্তাব মূলত তার ‘জরুরি’ চরিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সংসদে এই আলোচনায় ভোটাভুটি না হলেও প্রভাব কম নয়। এটি একধরনের সংসদীয় ‘চাপ প্রয়োগের’ বৈধ ও কার্যকর পদ্ধতি হিসেবেও কাজ করে।

বিষয় : সংসদ মুলতবি বিস্মৃত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


সংসদে জরুরি আলোচনার নতুন হাতিয়ার মুলতবি প্রস্তাব

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জাতীয় সংসদে দীর্ঘদিন পর ফেরানো হয়েছে প্রায় বিস্মৃত এক সংসদীয় প্রক্রিয়া—মুলতবি প্রস্তাব। তিন দশকের বেশি সময় পর এই প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও সংসদীয় আলোচনার স্রোত বইছে।সম্প্রতি বিরোধীদলীয় নেতা ডা শফিকুর রহমান ‘জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তা আলোচনার জন্য গ্রহণ করেন। ফলে ৩১ মার্চ মঙ্গলবার স্বাভাবিক কার্যসূচি স্থগিত রেখে জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত হয় এক জমজমাট বিতর্ক।মুলতবি প্রস্তাব হলো এমন একটি সংসদীয় প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জরুরি ও জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। প্রস্তাব গৃহীত হলে চলমান সব কার্যক্রম স্থগিত হয় এবং নির্দিষ্ট বিষয়েই মনোনিবেশ করে আলোচনা হয়।


আরো পড়ুন, দেশের নয় জেলায় ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগের ঝড়ের সতর্কতা


 একজন সংসদ সদস্যকে অন্তত দুই ঘণ্টা আগে নোটিশ দিতে হয়, এরপর স্পিকার সিদ্ধান্ত দেন প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে কি না।এই প্রক্রিয়াকে সংসদের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ধরা হয়। প্রস্তাব গৃহীত হলে নির্দিষ্ট সময় ধরে আলোচনা হয় এবং প্রয়োজনে ভোটাভুটিও অনুষ্ঠিত হতে পারে। ভোটাভুটি না হলেও খোলামেলা বিতর্ক সরকারের ওপর চাপ তৈরি করে, জনমতকে সক্রিয় রাখে এবং রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিতে সরকারকে বাধ্য করে।মুলতবি প্রস্তাব মূলত তার ‘জরুরি’ চরিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সংসদে এই আলোচনায় ভোটাভুটি না হলেও প্রভাব কম নয়। এটি একধরনের সংসদীয় ‘চাপ প্রয়োগের’ বৈধ ও কার্যকর পদ্ধতি হিসেবেও কাজ করে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত