দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

বিল শুকিয়ে মাছ ধরতে নালা খনন ১ শ, একর জমি চাষাবাদে বিঘ্ন

বিল শুকিয়ে মাছ ধরতে নালা খনন ১ শ, একর জমি চাষাবাদে বিঘ্ন
বিল শুকিয়ে মাছ ধরতে নালা খনন ১ শ, একর জমি চাষাবাদে বিঘ্ন

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামের মৃত রামকুমার মল্লিক এর ছেলে কমল মল্লিক, সরকারের ইজারাবিহীন দীঘলইচ্ছে বিল অবৈধভাবে পানি শুকিয়ে মাছ ধরার জন্য, বিশারা গ্রামের হেমেন্দ্র সরকারের জমির মাটি খেটে নালা খনন করেছে। এতে ১০০ একর জমি চাষাবাদে বিঘ্ন ঘটেছে। এবিষয়ে (১ এপ্রিল) বুধবার কাহালা গ্রামের মৃত মহেন্দ্র সরকারের ছেলে, হেমেন্দ্র সরকার বাদী হয়ে,নয়াগাঁও গ্রামের কমল মল্লিক ও নিখিল বিশ্বাসকে আসামি করে, মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। 

আরও পড়ুন, রায়পুরে মেঘনায় জাটকা ইলিশ শিকার: ১১ জেলে আটক

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমল মল্লিক ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে আমার রেকর্ডীয় জমির মাটি খেটে নালা তৈরী করেছে। এতে আমি সহ বিশারা,নয়াগাঁও, দরাফপুর, কাহালা সহ চারটি গ্রামের কৃষকের জমি চাষাবাদ করতে বিঘ্ন ঘটেছে। ঐ জমিগুলোতে বিলের ডোবায় সংরক্ষিত পানি ব্যবহার করে জমি গুলো চাষাবাদ করা হয়। ঐ নালাটি তৈরী করায়,ডোবার সংরক্ষণের পানি চাষাবাদের আগেই শুকিয়ে যাবে। যার ফলে জমিতে ধান ফলানো অনিশ্চিত হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন, মোরেলগঞ্জে বসতবাড়ির জমির বিরোধের জের ধরে ৪০টি গাছ কর্তন প্রতিপক্ষের হামলায় আহত- ১

হেমেন্দ্র সরকার আরও বলেন,হাওরের মাঝে নয়াগাঁও মৌজার ৫৪৮/৫৪৯ দাগের আমার রেকর্ডীয় জমির উপর দিয়ে,আমার অনুমতি ছাড়াই রাতের অন্ধকারে অতি গোপনে একটি নালা খনন করে ফেলে। এতে ১০০ একর ফসলি জমি চাষাবাদেের বিঘ্নয় ঘটেছে। তাছাড়া ভবিষ্যতে পানির অভাবে ধান ফলাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আমি নালা খননের বিষয়টি খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই, এবং  নিখিল বিশ্বাসকে ঘটনা স্থলে পাই। পরে  তাদেরকে বাধা নিষেধ করলে,আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ নানারকম হুমকি দুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এরা এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত সহ দাঙ্গা প্রকৃতির লোক। আমি এদের উত্তেজনা দেখে, ভয়ে ঘটনা স্থল থেকে চলে আসি, এবং আইনের দ্বারস্থ হয়েছি। আমি আশাবাদী প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত করলে, ন্যায় বিচার পাবো। এবিষয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা  ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ বলেন, অভিযোগটি আমি দেখিনি,দেখে তদন্ত সাপেক্ষে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : সুনামগঞ্জ অবৈধ চাষাবাদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


বিল শুকিয়ে মাছ ধরতে নালা খনন ১ শ, একর জমি চাষাবাদে বিঘ্ন

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামের মৃত রামকুমার মল্লিক এর ছেলে কমল মল্লিক, সরকারের ইজারাবিহীন দীঘলইচ্ছে বিল অবৈধভাবে পানি শুকিয়ে মাছ ধরার জন্য, বিশারা গ্রামের হেমেন্দ্র সরকারের জমির মাটি খেটে নালা খনন করেছে। এতে ১০০ একর জমি চাষাবাদে বিঘ্ন ঘটেছে। এবিষয়ে (১ এপ্রিল) বুধবার কাহালা গ্রামের মৃত মহেন্দ্র সরকারের ছেলে, হেমেন্দ্র সরকার বাদী হয়ে,নয়াগাঁও গ্রামের কমল মল্লিক ও নিখিল বিশ্বাসকে আসামি করে, মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। 

আরও পড়ুন, রায়পুরে মেঘনায় জাটকা ইলিশ শিকার: ১১ জেলে আটক

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমল মল্লিক ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে আমার রেকর্ডীয় জমির মাটি খেটে নালা তৈরী করেছে। এতে আমি সহ বিশারা,নয়াগাঁও, দরাফপুর, কাহালা সহ চারটি গ্রামের কৃষকের জমি চাষাবাদ করতে বিঘ্ন ঘটেছে। ঐ জমিগুলোতে বিলের ডোবায় সংরক্ষিত পানি ব্যবহার করে জমি গুলো চাষাবাদ করা হয়। ঐ নালাটি তৈরী করায়,ডোবার সংরক্ষণের পানি চাষাবাদের আগেই শুকিয়ে যাবে। যার ফলে জমিতে ধান ফলানো অনিশ্চিত হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন, মোরেলগঞ্জে বসতবাড়ির জমির বিরোধের জের ধরে ৪০টি গাছ কর্তন প্রতিপক্ষের হামলায় আহত- ১

হেমেন্দ্র সরকার আরও বলেন,হাওরের মাঝে নয়াগাঁও মৌজার ৫৪৮/৫৪৯ দাগের আমার রেকর্ডীয় জমির উপর দিয়ে,আমার অনুমতি ছাড়াই রাতের অন্ধকারে অতি গোপনে একটি নালা খনন করে ফেলে। এতে ১০০ একর ফসলি জমি চাষাবাদেের বিঘ্নয় ঘটেছে। তাছাড়া ভবিষ্যতে পানির অভাবে ধান ফলাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আমি নালা খননের বিষয়টি খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই, এবং  নিখিল বিশ্বাসকে ঘটনা স্থলে পাই। পরে  তাদেরকে বাধা নিষেধ করলে,আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ নানারকম হুমকি দুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এরা এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত সহ দাঙ্গা প্রকৃতির লোক। আমি এদের উত্তেজনা দেখে, ভয়ে ঘটনা স্থল থেকে চলে আসি, এবং আইনের দ্বারস্থ হয়েছি। আমি আশাবাদী প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত করলে, ন্যায় বিচার পাবো। এবিষয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা  ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ বলেন, অভিযোগটি আমি দেখিনি,দেখে তদন্ত সাপেক্ষে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত