গাজীপুর কালিয়াকৈরএলাকার চন্দ্রায় অবস্থিত নাম সাইনবোর্ড বিহীন আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়ত চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবন মাদক বিক্রি। গত কয়েক মাস আগে অভিযান পরিচালনা করে বেশ কজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। তবে আবাসিক হোটেলটি চালাচ্ছেন মোখলেস ও শান্ত নামের দুই মাদক ব্যবসায়ী।
তবে এবার যেন ঠিক তার বিপরীত ঘটনা ঘটালেন অফিসার ইনচার্জ। গত দুইদিন আগে আবাসিক হোটেলটিতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদ পেয়ে, অফিসার ইনচার্জ কে জানালে তিনি বলেন আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। কিন্তু দিন পার হয়ে রাত হলেও তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না। রাতে এবং পরের দিন তাকে ফোন করে জানতে চাইলে, তিনি বলেন আমার নলেজে নাই। আসলে তিনি অভিযানে যাননি। গণমাধ্যমের কাছে দায় স্বার্থে তিনি এই মিথ্যা প্রবাবাক্য বলেন।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, দোকানিকে জরিমানা
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, আবাসিক হোটেলের অসাধু ব্যক্তিদের সাথে থানায় যোগাযোগ রয়েছে। অভিযানের কথা আগেই তারা ফাঁস করে দেন, আর সেই সুযোগে পুলিশ দেওয়ার আগেই পতিতা ও মাদক কারবারীদের আগেই সরিয়ে দেন যার কারণে পুলিশ অভিযানে গিয়ে কিছুই পায় না। তারপরো আবাসিক হোটেল গুলোতে নিয়ম-নীতির কোন বালাই নেই। নেই রাষ্ট্রের দাপ্তরিক কোন অনুমোদন। তাহলে পুলিশ বা কেনই তাদের এটা চালাতে দিচ্ছেন?
আরও পড়ুন, বগুড়ার কাহালুতে পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে তিনজন সাজা প্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা বলেন,যেহেতু অভিযান সম্পর্কিত ব্যাপারে ওসি মিথ্যা তথ্য দিয়েছে , সেহেতু এখানে বোঝাই যায় ওসির সাথে আবাসিক হোটেলের সমন্বয় রয়েছে। কারণ তার কাছে অভিযানের পর ছবি চাওয়া হয় তিনি ছবিও দিতে পারেননি। তিনি নিজেই সমন্বয় করে এই আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চালাচ্ছেন। তবে গাজীপুর পুলিশের উর্ধ্বতন অফিসার বলেন, কোন হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলবে না। যারা করবে বা কোন অসাধু অফিসার জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
গাজীপুর কালিয়াকৈরএলাকার চন্দ্রায় অবস্থিত নাম সাইনবোর্ড বিহীন আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়ত চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবন মাদক বিক্রি। গত কয়েক মাস আগে অভিযান পরিচালনা করে বেশ কজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। তবে আবাসিক হোটেলটি চালাচ্ছেন মোখলেস ও শান্ত নামের দুই মাদক ব্যবসায়ী।
তবে এবার যেন ঠিক তার বিপরীত ঘটনা ঘটালেন অফিসার ইনচার্জ। গত দুইদিন আগে আবাসিক হোটেলটিতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদ পেয়ে, অফিসার ইনচার্জ কে জানালে তিনি বলেন আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। কিন্তু দিন পার হয়ে রাত হলেও তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না। রাতে এবং পরের দিন তাকে ফোন করে জানতে চাইলে, তিনি বলেন আমার নলেজে নাই। আসলে তিনি অভিযানে যাননি। গণমাধ্যমের কাছে দায় স্বার্থে তিনি এই মিথ্যা প্রবাবাক্য বলেন।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, দোকানিকে জরিমানা
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, আবাসিক হোটেলের অসাধু ব্যক্তিদের সাথে থানায় যোগাযোগ রয়েছে। অভিযানের কথা আগেই তারা ফাঁস করে দেন, আর সেই সুযোগে পুলিশ দেওয়ার আগেই পতিতা ও মাদক কারবারীদের আগেই সরিয়ে দেন যার কারণে পুলিশ অভিযানে গিয়ে কিছুই পায় না। তারপরো আবাসিক হোটেল গুলোতে নিয়ম-নীতির কোন বালাই নেই। নেই রাষ্ট্রের দাপ্তরিক কোন অনুমোদন। তাহলে পুলিশ বা কেনই তাদের এটা চালাতে দিচ্ছেন?
আরও পড়ুন, বগুড়ার কাহালুতে পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে তিনজন সাজা প্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা বলেন,যেহেতু অভিযান সম্পর্কিত ব্যাপারে ওসি মিথ্যা তথ্য দিয়েছে , সেহেতু এখানে বোঝাই যায় ওসির সাথে আবাসিক হোটেলের সমন্বয় রয়েছে। কারণ তার কাছে অভিযানের পর ছবি চাওয়া হয় তিনি ছবিও দিতে পারেননি। তিনি নিজেই সমন্বয় করে এই আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চালাচ্ছেন। তবে গাজীপুর পুলিশের উর্ধ্বতন অফিসার বলেন, কোন হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলবে না। যারা করবে বা কোন অসাধু অফিসার জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন