বান্দরবানের লামা উপজেলায় জাল সনদ ব্যবহার করে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার দুইটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে মতুয়া সম্প্রদায়ের বারুণী স্নান ও মহা মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, লামা উপজেলার মধুঝিরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান জাল সিএড সনদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করছিলেন। বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা- ২০১৮ অনুযায়ী তার দুইটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের বাজার
এর আগে ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে লামা উপজেলায় পাঁচ শিক্ষক জাল সনদ ব্যবহার করে প্রায় ১৩ বছর চাকরি করার বিষয়টি উঠে আসে। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর শিক্ষা প্রশাসন বিষয়টি যাচাই-বাছাই শুরু করে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের নেওয়া অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা বাতিল করে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : প্রধান শিক্ষক জাল সনদ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলায় জাল সনদ ব্যবহার করে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার দুইটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে মতুয়া সম্প্রদায়ের বারুণী স্নান ও মহা মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, লামা উপজেলার মধুঝিরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান জাল সিএড সনদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করছিলেন। বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা- ২০১৮ অনুযায়ী তার দুইটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের বাজার
এর আগে ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে লামা উপজেলায় পাঁচ শিক্ষক জাল সনদ ব্যবহার করে প্রায় ১৩ বছর চাকরি করার বিষয়টি উঠে আসে। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর শিক্ষা প্রশাসন বিষয়টি যাচাই-বাছাই শুরু করে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের নেওয়া অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা বাতিল করে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন