সরকারের মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত শহরের রেলস্টেশন সংলগ্ন বস্তিসহ বিভিন্ন মাদকপ্রবণ এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদক সেবন ও বিক্রির সাথে জড়িত ৩৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে মোবাইল কোর্ট।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের নির্দেশনায় ভোর অনুমান ৫টা থেকে শুরু হয়ে টানা বেলা ১২টা পর্যন্ত এই সাঁড়াশি অভিযান চলে। অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেশ কয়েকটি ইউনিট অংশ নেয়, যার মধ্যে ছিল: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, জেলা পুলিশ, ফরিদপুর, র্যাব (জঅই), আনসার ব্যাটালিয়ন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চলাকালীন শহরের চিহ্নিত মাদক স্পটগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও আলামত উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটককৃত ৩৬ জনকে অপরাধের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং আর্থিক জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন, নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফরিদপুরকে মাদকমুক্ত করতে এই ধরনের আকস্মিক ও বিশেষ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। শহরের রেলবস্তিসহ অন্যান্য জনাকীর্ণ এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
সরকারের মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত শহরের রেলস্টেশন সংলগ্ন বস্তিসহ বিভিন্ন মাদকপ্রবণ এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদক সেবন ও বিক্রির সাথে জড়িত ৩৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে মোবাইল কোর্ট।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের নির্দেশনায় ভোর অনুমান ৫টা থেকে শুরু হয়ে টানা বেলা ১২টা পর্যন্ত এই সাঁড়াশি অভিযান চলে। অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেশ কয়েকটি ইউনিট অংশ নেয়, যার মধ্যে ছিল: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, জেলা পুলিশ, ফরিদপুর, র্যাব (জঅই), আনসার ব্যাটালিয়ন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চলাকালীন শহরের চিহ্নিত মাদক স্পটগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও আলামত উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটককৃত ৩৬ জনকে অপরাধের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং আর্থিক জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন, নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফরিদপুরকে মাদকমুক্ত করতে এই ধরনের আকস্মিক ও বিশেষ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। শহরের রেলবস্তিসহ অন্যান্য জনাকীর্ণ এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন