চট্টগ্রাম নগরীর ব্যস্ততম জিইসি মোড় এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল পণ্য বিক্রির অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযানে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং একটি প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে। (৫ মার্চ) সকালে জিইসি মোড় এলাকার বিভিন্ন খাদ্য ও মুদি প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা।
অভিযানকালে সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র ধরা পড়ে হারুন বেকারি নামে একটি প্রতিষ্ঠানে। পরিদর্শনে দেখা যায়, বেকারির রান্নাঘরের চারদিকে তেলাপোকার উপদ্রব এবং চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে। সেই পরিবেশেই জিলাপি, হালিমসহ বিভিন্ন ইফতার সামগ্রী ও খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এমন পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় ।
আরো পড়ুন , "মিসাইল" হামলায় কুয়েতে সন্দ্বীপের প্রবাসী নিহত, এলাকায় শোকের ছায়া
তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়।একই সময় জিইসি মোড়ের কামাল স্টোর নামের একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন বিদেশি ব্র্যান্ডের পণ্য, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী এবং নকল মালামাল জব্দ করা হয়। এসব অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এর আগে একই এলাকার মেরিডিয়ান নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই দই উৎপাদন এবং বাসি খাবার সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, নগরীতে ভেজাল, নকল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রি রোধে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : সংরক্ষণ ভোক্তা পণ্য বিক্রি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর ব্যস্ততম জিইসি মোড় এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল পণ্য বিক্রির অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযানে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং একটি প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে। (৫ মার্চ) সকালে জিইসি মোড় এলাকার বিভিন্ন খাদ্য ও মুদি প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা।
অভিযানকালে সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র ধরা পড়ে হারুন বেকারি নামে একটি প্রতিষ্ঠানে। পরিদর্শনে দেখা যায়, বেকারির রান্নাঘরের চারদিকে তেলাপোকার উপদ্রব এবং চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে। সেই পরিবেশেই জিলাপি, হালিমসহ বিভিন্ন ইফতার সামগ্রী ও খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এমন পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় ।
আরো পড়ুন , "মিসাইল" হামলায় কুয়েতে সন্দ্বীপের প্রবাসী নিহত, এলাকায় শোকের ছায়া
তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়।একই সময় জিইসি মোড়ের কামাল স্টোর নামের একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন বিদেশি ব্র্যান্ডের পণ্য, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী এবং নকল মালামাল জব্দ করা হয়। এসব অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এর আগে একই এলাকার মেরিডিয়ান নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই দই উৎপাদন এবং বাসি খাবার সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, নগরীতে ভেজাল, নকল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রি রোধে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন