গাইবান্ধার পলাশবাড়ী অংশে ঢাকা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়কের ফোরলেন সড়কের পাশে সংরক্ষিত ভেরিয়েবল স্পেস ও বেল্ট মাউন্ট এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে অবৈধ দখল, কর্তৃপক্ষের নীরবতা প্রশ্নের মুখে। সড়কের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের জন্য নির্ধারিত এসব জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ও স্থায়ী দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে দেখা গেছে, শুরুতে চায়ের স্টল ও ভ্রাম্যমাণ ভ্যান বসানো হলেও সময়ের সঙ্গে সেখানে কাঠামোবদ্ধ দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কের ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারী, বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধীরগতির যানবাহন যেমন রিকশা, সিএনজি ও অটোরিকশাকে যাত্রী ওঠানামা করাতে হচ্ছে সরাসরি মহাসড়কের ওপরেই। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, ব্যস্ত সময় ও রাতের অন্ধকারে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাদের দাবি, দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হোক। সড়ক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভেরিয়েবল স্পেস ভবিষ্যতে সড়ক প্রস্ততকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা কিংবা জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন থামানোর জন্য সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে বেল্ট মাউন্ট বা সবুজ বেষ্টনী ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ, শব্দদূষণ কমানো এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব এলাকা দখল হয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি
এ বিষয়ে সাসেক-২ প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফিরোজ আক্তার জানান, পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে এবং মহাসড়কটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
বিষয় : পলাশবাড়ী

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী অংশে ঢাকা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়কের ফোরলেন সড়কের পাশে সংরক্ষিত ভেরিয়েবল স্পেস ও বেল্ট মাউন্ট এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে অবৈধ দখল, কর্তৃপক্ষের নীরবতা প্রশ্নের মুখে। সড়কের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের জন্য নির্ধারিত এসব জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ও স্থায়ী দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে দেখা গেছে, শুরুতে চায়ের স্টল ও ভ্রাম্যমাণ ভ্যান বসানো হলেও সময়ের সঙ্গে সেখানে কাঠামোবদ্ধ দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কের ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারী, বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধীরগতির যানবাহন যেমন রিকশা, সিএনজি ও অটোরিকশাকে যাত্রী ওঠানামা করাতে হচ্ছে সরাসরি মহাসড়কের ওপরেই। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, ব্যস্ত সময় ও রাতের অন্ধকারে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাদের দাবি, দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হোক। সড়ক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভেরিয়েবল স্পেস ভবিষ্যতে সড়ক প্রস্ততকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা কিংবা জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন থামানোর জন্য সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে বেল্ট মাউন্ট বা সবুজ বেষ্টনী ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ, শব্দদূষণ কমানো এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব এলাকা দখল হয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি
এ বিষয়ে সাসেক-২ প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফিরোজ আক্তার জানান, পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে এবং মহাসড়কটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন