রাউজান উপজেলা-এ বাজারের মধ্যে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদলের এক কর্মীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলটি পূর্ব গুজরা পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়া হাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মুহাম্মদ আবদুল মজিদ (৫০)। তিনি অলিমিয়াহাট বাজার এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, তিনি ইউনিয়ন যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে বাজার থেকে হেঁটে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন আবদুল মজিদ। এ সময় মুখোশধারী কয়েকজন অস্ত্রধারী যুবক মোটরসাইকেলে করে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মজিদকে উদ্ধার করে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, নিহত মজিদের চোখের ওপর, বুকে এবং কোমরে মোট তিনটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) টিবলু কান্তি দে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাউজান উপজেলা-এ বাজারের মধ্যে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদলের এক কর্মীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলটি পূর্ব গুজরা পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়া হাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মুহাম্মদ আবদুল মজিদ (৫০)। তিনি অলিমিয়াহাট বাজার এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, তিনি ইউনিয়ন যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে বাজার থেকে হেঁটে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন আবদুল মজিদ। এ সময় মুখোশধারী কয়েকজন অস্ত্রধারী যুবক মোটরসাইকেলে করে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মজিদকে উদ্ধার করে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, নিহত মজিদের চোখের ওপর, বুকে এবং কোমরে মোট তিনটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) টিবলু কান্তি দে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন