সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোড় নদীতে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলে পানি দূষণ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। ২৪ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে ধানগড়া পুরাতন চৌরাস্তা মোড়ে পরিবেশ প্রেমী সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নদীর তীরে বসবাসকারী জেলে সম্প্রদায়ের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধনে অংশ নেন। এস আর কেমিক্যাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান নদীতে এই বর্জ্য ফেলে পানি দুষণ করেছে মর্মে অভিযোগ উঠে এই কর্মসূচি থেকে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার রাজাপুর ছোনকা এলাকায় এস আর কেমিক্যাল পাইপযোগে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলছে ফুলজোড় নদীতে । এতে করে নদীর মাছ মরে ভেসে উঠছে ।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভেসে ওঠা এসব মাছ ধরতে নানা বয়সী নারী-পুরুষরা ভিড় জমাতে দেখা গেছে নদীর দুই পাড়ে। শিল্পকারখানার বর্জ্য নদীতে ফেলায় পানি দূষিত হয়ে পড়েছে। এ কারণে ফুলজোড় নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, সাপ, ব্যাঙ, কাঁকড়া, শামুকসহ জলজ প্রাণী মরে যাচ্ছে। গত তিন দিন ধরে এ অবস্থা চলছে । রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া, মহেশপুর ও চান্দাইকোনা ইউনিয়নের বেড়াবাজুয়া এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফুলজোড় নদীর পানির রং বদলে গেছে। বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে অনেক মাছ মরে ভেসে উঠছে। বর্জ্যরের দূর্গন্ধে স্থানীয় লোকজন নদীতে গোসল করতে পারছে না। এমনকি গবাদি পশুকেও খাওয়ানো যাচ্ছে না নদীর পানি। বক্তারা আরও বলেন,
আরো পড়ুন , নোয়াখালীতে প্রাইভেটকারে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার ২
একসময় ফুলজোড় নদীতে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে এখন সেই মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তাই বিষাক্ত বর্জ্য না ফেলে দূষণের হাত থেকে নদীটি রক্ষার দাবি জানান বক্তারা।ধানগড়া পরিবেশপ্রেমী সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক সাইফুল্লাহ ইবনে সাঈদ সজলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রায়গঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি হাতেম আলী সুজন, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহকারী অধ্যাপক মোঃ কামরুল হাসান মুরাদসহ শিক্ষক সাংবাদিক ও এনজিওর কর্মীবৃন্দ।
স্থানীয় পরিবেশবাদী আব্দুর রাজ্জাক নাসিম বলেন, এসআর কেমিক্যাল মাঝে মধ্যেই এই ঘটনার সৃষ্টি করলেও প্রশাসনিক তেমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। সামান্য কিছু জরিমানা করেই কর্তৃপক্ষ দায়সাড়া দায়িত্ব পালন করে।মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন ভুক্তভোগীগণ।রায়গঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, উজানের দুটি শিল্প কারখানার বর্জ্যে নদের মাছসহ জলজ প্রাণী মরে যাচ্ছে। এ বিষয়টিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন,আমরা নদী দূষণকারী কারখানার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোড় নদীতে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলে পানি দূষণ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। ২৪ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে ধানগড়া পুরাতন চৌরাস্তা মোড়ে পরিবেশ প্রেমী সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নদীর তীরে বসবাসকারী জেলে সম্প্রদায়ের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধনে অংশ নেন। এস আর কেমিক্যাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান নদীতে এই বর্জ্য ফেলে পানি দুষণ করেছে মর্মে অভিযোগ উঠে এই কর্মসূচি থেকে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার রাজাপুর ছোনকা এলাকায় এস আর কেমিক্যাল পাইপযোগে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলছে ফুলজোড় নদীতে । এতে করে নদীর মাছ মরে ভেসে উঠছে ।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভেসে ওঠা এসব মাছ ধরতে নানা বয়সী নারী-পুরুষরা ভিড় জমাতে দেখা গেছে নদীর দুই পাড়ে। শিল্পকারখানার বর্জ্য নদীতে ফেলায় পানি দূষিত হয়ে পড়েছে। এ কারণে ফুলজোড় নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, সাপ, ব্যাঙ, কাঁকড়া, শামুকসহ জলজ প্রাণী মরে যাচ্ছে। গত তিন দিন ধরে এ অবস্থা চলছে । রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া, মহেশপুর ও চান্দাইকোনা ইউনিয়নের বেড়াবাজুয়া এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফুলজোড় নদীর পানির রং বদলে গেছে। বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে অনেক মাছ মরে ভেসে উঠছে। বর্জ্যরের দূর্গন্ধে স্থানীয় লোকজন নদীতে গোসল করতে পারছে না। এমনকি গবাদি পশুকেও খাওয়ানো যাচ্ছে না নদীর পানি। বক্তারা আরও বলেন,
আরো পড়ুন , নোয়াখালীতে প্রাইভেটকারে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার ২
একসময় ফুলজোড় নদীতে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে এখন সেই মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তাই বিষাক্ত বর্জ্য না ফেলে দূষণের হাত থেকে নদীটি রক্ষার দাবি জানান বক্তারা।ধানগড়া পরিবেশপ্রেমী সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক সাইফুল্লাহ ইবনে সাঈদ সজলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রায়গঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি হাতেম আলী সুজন, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহকারী অধ্যাপক মোঃ কামরুল হাসান মুরাদসহ শিক্ষক সাংবাদিক ও এনজিওর কর্মীবৃন্দ।
স্থানীয় পরিবেশবাদী আব্দুর রাজ্জাক নাসিম বলেন, এসআর কেমিক্যাল মাঝে মধ্যেই এই ঘটনার সৃষ্টি করলেও প্রশাসনিক তেমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। সামান্য কিছু জরিমানা করেই কর্তৃপক্ষ দায়সাড়া দায়িত্ব পালন করে।মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন ভুক্তভোগীগণ।রায়গঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, উজানের দুটি শিল্প কারখানার বর্জ্যে নদের মাছসহ জলজ প্রাণী মরে যাচ্ছে। এ বিষয়টিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন,আমরা নদী দূষণকারী কারখানার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন