ফরিদপুর শহরের কোতোয়ালি থানা সংলগ্ন জেলা আওয়ামী লীগের পুরাতন কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও যুবলীগের দলীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে নতুন করে আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আনুমানিক সকাল সাড়ে ৭টার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ এর ফরিদপুর কোতোয়ালী থানা সংলগ্ন জেলা কার্যালয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৮ মাস পর পতাকা উত্তোলন করতে দেখা যায়।
যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী এ কর্মসূচি পালন করেন। যুবলীগের পক্ষ থেকে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন তারা। এ সংক্রান্ত এক মিনিটেরও কম সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে নতুনকরে কৌতুহল এর সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরের দিকে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জাতীয় পতাকার পাশাপাশি সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় বলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর শহর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিবুর রহমান ফারহান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি কাওসার আকন্দ এবং ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও যুবলীগ নেতা দেবাশীষ নয়নসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পতাকা উত্তোলনের সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায় এবং জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধুসহ বিভিন্ন দলীয় স্লোগান দেন তারা।
আরো পড়ুন , নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ খুলল যশোরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়, জনসমক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ফরিদপুর- ৪ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুর রহমান নিক্সনের নির্দেশে এবং যুবলীগ নেতা আসিবুর রহমান ফারহান ও কাউছার এর নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম শুরু করার কথা প্রকাশ করা হয়েছে। সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।তবে এ ধরনের কর্মসূচি ঘিরে সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এটিকে রাজনৈতিক সক্রিয়তার অংশ হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ, অনেকেই আবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত হবার পরও এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
জানা যায় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন - যেহেতু সংগঠনটির কার্যক্রম সম্পুর্নরুপে নিষিদ্ধ, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টির পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম হয়েছে।
বিষয় : আওয়ামী লীগ সক্রিয় পতাকা উত্তোলন

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুর শহরের কোতোয়ালি থানা সংলগ্ন জেলা আওয়ামী লীগের পুরাতন কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও যুবলীগের দলীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে নতুন করে আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আনুমানিক সকাল সাড়ে ৭টার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ এর ফরিদপুর কোতোয়ালী থানা সংলগ্ন জেলা কার্যালয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৮ মাস পর পতাকা উত্তোলন করতে দেখা যায়।
যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী এ কর্মসূচি পালন করেন। যুবলীগের পক্ষ থেকে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন তারা। এ সংক্রান্ত এক মিনিটেরও কম সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে নতুনকরে কৌতুহল এর সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরের দিকে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জাতীয় পতাকার পাশাপাশি সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় বলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর শহর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিবুর রহমান ফারহান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি কাওসার আকন্দ এবং ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও যুবলীগ নেতা দেবাশীষ নয়নসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পতাকা উত্তোলনের সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায় এবং জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধুসহ বিভিন্ন দলীয় স্লোগান দেন তারা।
আরো পড়ুন , নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ খুলল যশোরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়, জনসমক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ফরিদপুর- ৪ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুর রহমান নিক্সনের নির্দেশে এবং যুবলীগ নেতা আসিবুর রহমান ফারহান ও কাউছার এর নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম শুরু করার কথা প্রকাশ করা হয়েছে। সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।তবে এ ধরনের কর্মসূচি ঘিরে সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এটিকে রাজনৈতিক সক্রিয়তার অংশ হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ, অনেকেই আবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত হবার পরও এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
জানা যায় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন - যেহেতু সংগঠনটির কার্যক্রম সম্পুর্নরুপে নিষিদ্ধ, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টির পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন