নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলার ৭২টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনি একমাত্র নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পুতুল বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী, মানবাধিকারবিষয়ক কমিটির সদস্য, দলের মিডিয়া সেলের সদস্য এবং নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আরো পড়ুন , বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
২০০৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এ তালহার কাছে পরাজয়ের পর আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হয়। ২০১৬ সালে ফজলুর রহমান পটলের মৃত্যু হলে পরিবারের রাজনৈতিক দায়িত্বে সক্রিয় হন পুতুল। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তাঁর মা অধ্যক্ষ (অব.) কামরুনাহার শিরিন দলীয় মনোনয়ন পেলেও জয়ী হতে পারেননি।সাম্প্রতিক নির্বাচনে পুতুলের জয় সহজ ছিল না। তিনি দলের বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা তাইফুল ইসলাম টিপু ও জামায়াতের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১২ হাজার ৭৬৬ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন এবং দলের ভেতর থেকেও কিছু বাধার সম্মুখীন হন। তবে এসব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ব্যাপক গণসংযোগ ও ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনার মাধ্যমে তিনি বিজয় নিশ্চিত করেন।
বিষয় : নবনির্বাচিত প্রতিমন্ত্রী শপথ সম্পন্ন

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলার ৭২টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনি একমাত্র নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পুতুল বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী, মানবাধিকারবিষয়ক কমিটির সদস্য, দলের মিডিয়া সেলের সদস্য এবং নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আরো পড়ুন , বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
২০০৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এ তালহার কাছে পরাজয়ের পর আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হয়। ২০১৬ সালে ফজলুর রহমান পটলের মৃত্যু হলে পরিবারের রাজনৈতিক দায়িত্বে সক্রিয় হন পুতুল। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তাঁর মা অধ্যক্ষ (অব.) কামরুনাহার শিরিন দলীয় মনোনয়ন পেলেও জয়ী হতে পারেননি।সাম্প্রতিক নির্বাচনে পুতুলের জয় সহজ ছিল না। তিনি দলের বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা তাইফুল ইসলাম টিপু ও জামায়াতের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১২ হাজার ৭৬৬ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন এবং দলের ভেতর থেকেও কিছু বাধার সম্মুখীন হন। তবে এসব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ব্যাপক গণসংযোগ ও ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনার মাধ্যমে তিনি বিজয় নিশ্চিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন