লক্ষীপুরের রায়পুরে ৩ নং ওয়ার্ডের ৯ নং ইউনিয়নের লাল মিয়া বেপারি বাড়ির ১০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেধাবী স্কুলছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের চেষ্টা এবং বাধা দেওয়ায় স্টিলের লাইটের আঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে এবং বর্তমানে ওই স্কুলছাত্রীটি রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। অভিযুক্ত তিন সন্তানের জনক মো: লিটন (৩০) ৯নং ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের তাজুল ইসলামের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার রাত প্রায় ১১:৫০ মিনিটের সময় উপজেলার সর্দার বাড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী নিজ বাড়িতে প্রকৃতি ডাকে সাড়া দিতে বাড়ির পিছনে ওয়াশরুমে গেলে আগে থেকে ওতপেতে থাকা লিটন তাকে ধরার চেষ্টা করে, তাৎক্ষণিক ওই স্কুল ছাত্রী তাকে চিনে ফেলায় তার নাম ধরে চিৎকার করলে লিটনের হাতে থাকা স্টিলের লাইট দিয়ে স্ব জোর তার মাথায় আঘাত করে। সেসময় তার বাবা মা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এসময় অভিযুক্ত লিটনকে এলাকাবাসী আটক করে এবং উত্তেজিত জনতা সেসময় তাকে কিছু প্রহার করে পরবর্তীতে সে কৌশলে ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, সাতকানিয়ায় ভুয়া পরিচয়ে এমপির কাছে চাঁদা চাইতে গিয়ে ধৃত এনএসআই পরিচয়ধারী
অভিযোগে আরও জানা যায়, এর আগেও প্রায়সময় স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে বখাটে মোঃ লিটন ওই স্কুল ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এদিকে অভিযুক্ত মো: লিটনের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি তার দোষ অস্বীকার করেন বলেন, আমি ওই স্কুল ছাত্রীর মাথায় আঘাত করিনি, তার বাবা আমাকে আঘাত করতে গেলে তার মেয়ের মাথায় গিয়ে সেই আঘাত লাগে।রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন মিয়া জানান, এখন পর্যন্ত স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও আহত হবার কোন অভিযোগ পাইনি । তবে অভিযোগ পেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষীপুরের রায়পুরে ৩ নং ওয়ার্ডের ৯ নং ইউনিয়নের লাল মিয়া বেপারি বাড়ির ১০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেধাবী স্কুলছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের চেষ্টা এবং বাধা দেওয়ায় স্টিলের লাইটের আঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে এবং বর্তমানে ওই স্কুলছাত্রীটি রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। অভিযুক্ত তিন সন্তানের জনক মো: লিটন (৩০) ৯নং ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের তাজুল ইসলামের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার রাত প্রায় ১১:৫০ মিনিটের সময় উপজেলার সর্দার বাড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী নিজ বাড়িতে প্রকৃতি ডাকে সাড়া দিতে বাড়ির পিছনে ওয়াশরুমে গেলে আগে থেকে ওতপেতে থাকা লিটন তাকে ধরার চেষ্টা করে, তাৎক্ষণিক ওই স্কুল ছাত্রী তাকে চিনে ফেলায় তার নাম ধরে চিৎকার করলে লিটনের হাতে থাকা স্টিলের লাইট দিয়ে স্ব জোর তার মাথায় আঘাত করে। সেসময় তার বাবা মা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এসময় অভিযুক্ত লিটনকে এলাকাবাসী আটক করে এবং উত্তেজিত জনতা সেসময় তাকে কিছু প্রহার করে পরবর্তীতে সে কৌশলে ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, সাতকানিয়ায় ভুয়া পরিচয়ে এমপির কাছে চাঁদা চাইতে গিয়ে ধৃত এনএসআই পরিচয়ধারী
অভিযোগে আরও জানা যায়, এর আগেও প্রায়সময় স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে বখাটে মোঃ লিটন ওই স্কুল ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এদিকে অভিযুক্ত মো: লিটনের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি তার দোষ অস্বীকার করেন বলেন, আমি ওই স্কুল ছাত্রীর মাথায় আঘাত করিনি, তার বাবা আমাকে আঘাত করতে গেলে তার মেয়ের মাথায় গিয়ে সেই আঘাত লাগে।রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন মিয়া জানান, এখন পর্যন্ত স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও আহত হবার কোন অভিযোগ পাইনি । তবে অভিযোগ পেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন