জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় দেড় যুগ পর নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে সপরিবারে ভোট দিলেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তারাও ভোট দেন। ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তারেক রহমান বলেন, জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। আগেও বলেছি, জয়লাভ করলে সবচেয়ে বেশি কাজ করা হবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে।
সারাদেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে সেসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তাঁর কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।
আরো পড়ুন , মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা স্বাভাবিক বিকাশ-নগদ-রকেটে লেনদেন চালু
দেশের মানুষ যদি নির্বিঘ্নে ভোট দেন, তাহলে যে কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব। তবে গত বুধবার রাতে কিছু জায়গা থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত খবর পেয়েছি, যেটি কাম্য নয়।নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। তাঁর ভাষায়, সাধারণ মানুষ যাতে দেশে নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
ভোট দেওয়ার পর বাসায় ফিরে পরিবারের তিন সদস্যের হাতের অমোচনীয় কালি তুলে ধরে ছবি তোলেন তারেক রহমান। কিছু সময় পর তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের আমলে ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে তিনি লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন। প্রায় ১৭ বছর পর তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন গত ২৫ ডিসেম্বর। কয়েক দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর তারেক রহমান হারান তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। এর ১০ দিন পর গত ৯ জানুয়ারি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চেয়ারম্যানের পদে অভিষিক্ত হন তিনি।
বিষয় : পরিস্থিতি আশাবাদী জননিরাপত্তা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় দেড় যুগ পর নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে সপরিবারে ভোট দিলেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তারাও ভোট দেন। ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তারেক রহমান বলেন, জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। আগেও বলেছি, জয়লাভ করলে সবচেয়ে বেশি কাজ করা হবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে।
সারাদেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে সেসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তাঁর কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।
আরো পড়ুন , মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা স্বাভাবিক বিকাশ-নগদ-রকেটে লেনদেন চালু
দেশের মানুষ যদি নির্বিঘ্নে ভোট দেন, তাহলে যে কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব। তবে গত বুধবার রাতে কিছু জায়গা থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত খবর পেয়েছি, যেটি কাম্য নয়।নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। তাঁর ভাষায়, সাধারণ মানুষ যাতে দেশে নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
ভোট দেওয়ার পর বাসায় ফিরে পরিবারের তিন সদস্যের হাতের অমোচনীয় কালি তুলে ধরে ছবি তোলেন তারেক রহমান। কিছু সময় পর তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের আমলে ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে তিনি লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন। প্রায় ১৭ বছর পর তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন গত ২৫ ডিসেম্বর। কয়েক দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর তারেক রহমান হারান তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। এর ১০ দিন পর গত ৯ জানুয়ারি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চেয়ারম্যানের পদে অভিষিক্ত হন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন