দু’চোখ ভরেজল, মুখে হাসি। বুড়ো আঙুলে কালির দাগ একদিনের জন্য তা হয়ে ওঠে ‘ঈদের চেয়েও বড় আনন্দ’। বৃহস্পতিবার যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্র জুড়ে নেমেছিল আবেগ-উচ্ছ্বাসের বন্যায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষা, নানা বঞ্চনা আর আতঙ্কের কফিন চিরে এ যেন গণতন্ত্রেরই জয়যাত্রা।
ভোরের আলো ফোটার আগেই টেংরামারী হাইস্কুল কেন্দ্রের সামনে লাইন। চোখে স্বপ্ন, হাতে ভোটের স্লিপ। আবু তাহের নামের এক ভোটার কণ্ঠে যেন বেদনার অধ্যায়। ১৭ বছর পর কেন্দ্রে এসেছেন ইউনুস গাজী। সাদা চুল, ক্লান্ত চোখ, কিন্তু জ্বলজ্বলে আত্মবিশ্বাস। স্মৃতির বোঝা নামিয়ে তিনি বললেন,একবার কেন্দ্রে ঢুকতে গেলাম, মার খেয়ে বের করে দেওয়া হল। আজ সেই একই জায়গায় পরিবার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি নির্ভয়ে। ঈদের চেয়েও বেশি আনন্দ।
শ্যামকুড় ইউনিয়নের লাউড়ী গ্রামের তরুণ আলমগীর হোসেনের কণ্ঠে প্রথম ভোটের রোমাঞ্চ। জীবনে প্রথমবার ভোট দিলেন তিনি। বললেন, নতুন অভিজ্ঞতা। ভয়ডরহীন, শান্ত পরিবেশে এভাবে ভোট দিতে পারব কল্পনাই করিনি। কমবেশী প্রায় সব কেন্দ্রেই ছিল নারী-পুরুষের পদচারণায় মুখর। নতুন ভোটারের উচ্ছ্বাস যেমন ছিল চোখে পড়ার মতো, তেমনি বয়স্ক ভোটারদের চোখে ছিল অনেক প্রতীক্ষিত স্বপ্নপূরণের তৃপ্তি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর গণতন্ত্রের মহাযজ্ঞে সামিল হওয়ার আনন্দ যেন কোনো শব্দে আটকায়নি।
আরও পড়ুন, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জাল ভোট দিতে যাওয়ায় যুবকের কারাদণ্ড
তবে সোনার চামচের সবটা ফর্সা নয়। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি ছিল কিছুটা কম। আস্থার ঘাটতি আর পুরোনো ভয়ের ছায়া যেন একেবারে কাটেনি। তারপরও অনেকেই পরিবার নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন, প্রত্যাশা করছেন সুরক্ষার। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও সম্রাট হোসেন জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ৩ লাখ ৭৪ হাজার ২৫২ ভোটারের এই উৎসব অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দু’চোখ ভরেজল, মুখে হাসি। বুড়ো আঙুলে কালির দাগ একদিনের জন্য তা হয়ে ওঠে ‘ঈদের চেয়েও বড় আনন্দ’। বৃহস্পতিবার যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্র জুড়ে নেমেছিল আবেগ-উচ্ছ্বাসের বন্যায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষা, নানা বঞ্চনা আর আতঙ্কের কফিন চিরে এ যেন গণতন্ত্রেরই জয়যাত্রা।
ভোরের আলো ফোটার আগেই টেংরামারী হাইস্কুল কেন্দ্রের সামনে লাইন। চোখে স্বপ্ন, হাতে ভোটের স্লিপ। আবু তাহের নামের এক ভোটার কণ্ঠে যেন বেদনার অধ্যায়। ১৭ বছর পর কেন্দ্রে এসেছেন ইউনুস গাজী। সাদা চুল, ক্লান্ত চোখ, কিন্তু জ্বলজ্বলে আত্মবিশ্বাস। স্মৃতির বোঝা নামিয়ে তিনি বললেন,একবার কেন্দ্রে ঢুকতে গেলাম, মার খেয়ে বের করে দেওয়া হল। আজ সেই একই জায়গায় পরিবার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি নির্ভয়ে। ঈদের চেয়েও বেশি আনন্দ।
শ্যামকুড় ইউনিয়নের লাউড়ী গ্রামের তরুণ আলমগীর হোসেনের কণ্ঠে প্রথম ভোটের রোমাঞ্চ। জীবনে প্রথমবার ভোট দিলেন তিনি। বললেন, নতুন অভিজ্ঞতা। ভয়ডরহীন, শান্ত পরিবেশে এভাবে ভোট দিতে পারব কল্পনাই করিনি। কমবেশী প্রায় সব কেন্দ্রেই ছিল নারী-পুরুষের পদচারণায় মুখর। নতুন ভোটারের উচ্ছ্বাস যেমন ছিল চোখে পড়ার মতো, তেমনি বয়স্ক ভোটারদের চোখে ছিল অনেক প্রতীক্ষিত স্বপ্নপূরণের তৃপ্তি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর গণতন্ত্রের মহাযজ্ঞে সামিল হওয়ার আনন্দ যেন কোনো শব্দে আটকায়নি।
আরও পড়ুন, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জাল ভোট দিতে যাওয়ায় যুবকের কারাদণ্ড
তবে সোনার চামচের সবটা ফর্সা নয়। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি ছিল কিছুটা কম। আস্থার ঘাটতি আর পুরোনো ভয়ের ছায়া যেন একেবারে কাটেনি। তারপরও অনেকেই পরিবার নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন, প্রত্যাশা করছেন সুরক্ষার। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও সম্রাট হোসেন জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ৩ লাখ ৭৪ হাজার ২৫২ ভোটারের এই উৎসব অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন