লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার ৬ নং কেরোয়া ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনার পর উত্তেজনা প্রশমনে যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেছে দল দুটি । সোমবার রাত ৮টায় রায়পুর পৌর শহরের ‘ফুডল্যান্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্ট’-এ এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত রবিবার কেরোয়া ইউনিয়নের মালিবাড়ি এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়ার উপস্থিতিতে উভয় পক্ষ আলোচনায় বসে এবং শান্তিপূর্ণ সমঝোতায় পৌঁছায়। সমঝোতার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘর্ষ ও সহিংস কর্মকাণ্ড এড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই মামলা করেনি বলেও সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দুলাল মোল্লা ও ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ দেলোয়ার হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন মৃধা, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ ইউনুস, ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলোসহ উভয় দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। জনগণের স্বার্থে সহিংসতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করছি।” তাঁরা আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেকোনো রাজনৈতিক বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন, শরীয়তপুর - দুই, ১০ দফার ইশতেহার দিলেন আলহাজ্ব সফিকুর রহমান কিরন
সংঘর্ষের ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পুলিশ ও স্থানীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বর্তমানে এলাকার নেতাকর্মীদের মাঝে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে ।
বিষয় : সম্মেলন লক্ষ্মীপুর রায়পুর

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার ৬ নং কেরোয়া ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনার পর উত্তেজনা প্রশমনে যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেছে দল দুটি । সোমবার রাত ৮টায় রায়পুর পৌর শহরের ‘ফুডল্যান্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্ট’-এ এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত রবিবার কেরোয়া ইউনিয়নের মালিবাড়ি এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়ার উপস্থিতিতে উভয় পক্ষ আলোচনায় বসে এবং শান্তিপূর্ণ সমঝোতায় পৌঁছায়। সমঝোতার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘর্ষ ও সহিংস কর্মকাণ্ড এড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই মামলা করেনি বলেও সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দুলাল মোল্লা ও ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ দেলোয়ার হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন মৃধা, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ ইউনুস, ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলোসহ উভয় দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। জনগণের স্বার্থে সহিংসতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করছি।” তাঁরা আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেকোনো রাজনৈতিক বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন, শরীয়তপুর - দুই, ১০ দফার ইশতেহার দিলেন আলহাজ্ব সফিকুর রহমান কিরন
সংঘর্ষের ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পুলিশ ও স্থানীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বর্তমানে এলাকার নেতাকর্মীদের মাঝে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে ।

আপনার মতামত লিখুন